জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন

দক্ষিণখান আল-আকসা মিষ্টি প্রস্তুত কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ

মোঃ ফজলুঃ রাজধানীর দক্ষিণখানে পূর্ব গাওয়াই, পূর্বপাড়া আল-আকসা মিষ্টি কারখানা গড়ে উঠেছে। উক্ত কারখানায় গত ২৭ জানুয়ারি জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি ও কয়েকজন সাংবাদিক বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পরিদর্শন করে। কারখানায় প্রবেশাদার দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করতেই দেখা যায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কেক, মিষ্টি প্রস্তুত হচ্ছে। কারখানার ভিতরে আলোর স্বল্পতা এবং মাকোড়সার জাল দেখতে পাওযা যায়। কারখানার মেঝের টাইলসে অত্যান্ত নোংরা অবস্থায় এবং কারখানার অন্যান্য সদস্যদের হাতে মিষ্টিও বেকারি সামগ্রী প্রস্তুতের সময় হাতে গ্লোপ(দস্তানা) দেখা যায় না । মেশিনের মাধ্যমে কেক,

বেকারি সামগ্রী নামে আমরা কি খাচ্ছি? কারখানার খাদ্যসামগ্রী কতটুকু স্বাস্থসন্মত

মো:ফজলুঃ রাজধানীর উত্তর সিটিকরপোরেশন আওতাধীন উত্তরা পশ্চিম ওতুরাগ থানাধীন এলাকায় গড়ে উঠেছে কিছু বেকারির খাদ্র সামগ্রী তৈরি কারখানা যার পরিবেশ অত্যান্ত নগন্য। গত ২৭ জানুয়ারি শনিবার তুরাগ থানাধীন কিছু বেকারি খাদ সামগ্রী কারখানায় জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি এবং  কয়েকজন পত্রিকার সাংবাদিক কয়েকটি কারখানা খাদ্য সামগ্রী তৈরির বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে সঠিক তথ্যটি বের হয়ে আসে। প্রথমাবস্থায় নিউ বি-বাড়িয়া বেকারি বাড়ী-২৫,রোড- ১,ওয়ার্ড-৪,ব্লক-বি,নল ভোগ,হরিরামপুর ইউনিয়ন তুরাগ বেকারি সামগ্র কারখানায় গেলে সেখানের মালিক  অথবা মালিক পক্ষের লোক কারখানার দায়িত্বরত ব্যক্তি সাথে কথাবলতে

হুমকির মুখে জনস্বাস্থ্য অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভেজাল ও নিম্নমানের কাঁচামাল দিয়ে তৈরী হচ্ছে বেকারি খাদ্য

        নওগাঁর মহাদেবপুরে নামে বেনামে গড়ে উঠেছে প্রায় ১০টি  বেকারি। এদের মধ্যে অধিকাংশ বেকারির বিরুদ্ধে নীতিমালা না মেনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভেজাল ও নিম্নমানের কাঁচামাল দিয়ে খাদ্যসামগ্রী তৈরীর অভিযোগ রয়েছে। ২০০৯ সালের ভোক্তা অধিকার আইন কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বেকারি মালিকরা অবাধে ব্যবসা করছে। একাধিকবার ভ্রাম্যমান আদালত  জরিমানা করলেও কোন ক্রমেই বন্ধ করা যাচ্ছে না অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য দ্রব্য উৎপাদন। মান নিয়ন্ত্রণহীন ও নোংরা পরিবেশে উৎপাদিত বেকারির খাদ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর। পাড়া,মহল্লা,স্কুল,কলেজের সামনে, বাজারের বিভিন্ন চায়ের দোকানে বিক্রি

নোয়াখালীতে মুদি দোকানেও বিক্রয় হচ্ছে ভেজাল ওষুধ

জুয়েল রানা লিটন, জেলা প্রতিনিধি, নোয়াখালী ঃ জীবন রক্ষাকারী ওষুধ এখন মরণফাঁদ। র‌্যাব এবং জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ভেজাল ও ফুড সাপ্লিমেন্ট ওষুধের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযান চালিয়ে জেল জরিমানা করলেও নোয়াখালী সিন্ডিকেট চক্রের অপতৎপরতা থামেনি। অনেক নামিদামি কোম্পানির ওষুধও ভেজাল হচ্ছ একদিকে, বাড়ছে ভেজাল ওষুধ তৈরির কারখানা অন্যদিকে পাল্লা দিয়েও বাড়ছে ওষুধের দাম। নকল হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক, গ্যাস্ট্রিক ও হৃদরোগসহ বিভিন্ন রোগের ওষুধ এবং ভারত থেকে আমদানিকৃত নিষিদ্ধ যৌন উত্তেজক ওষুধ। রিকসাচালক আইয়ুব আলী জানান, “ রিকশা চালিয়ে

নোয়াখালীতে মুদি দোকানেও বিক্রয় হচ্ছে ভেজাল ওষুধ

 জেলা প্রতিনিধি ‍: জীবন রক্ষাকারী ওষুধ এখন মরণফাঁদ। র‌্যাব এবং জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ভেজাল ও ফুড সাপ্লিমেন্ট ওষুধের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযান চালিয়ে জেল জরিমানা করলেও নোয়াখালী সিন্ডিকেট চক্রের অপতৎপরতা থামেনি। অনেক নামিদামি কোম্পানির ওষুধও ভেজাল হচ্ছে। একদিকে, বাড়ছে ভেজাল ওষুধ তৈরির কারখানা অন্যদিকে পাল্লা দিয়েও বাড়ছে ওষুধের দাম। নকল হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক, গ্যাস্ট্রিক ও হৃদরোগসহ বিভিন্ন রোগের ওষুধ এবং ভারত থেকে আমদানিকৃত নিষিদ্ধ যৌন উত্তেজক ওষুধ। রিকসাচালক আইয়ুব আলী জানান, “ রিকশা চালিয়ে এত কষ্ট করে আয়

খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে আন্দোলনের এখনই সময়

দেশে খাদ্য, পণ্য যা-ই বাজারে ভোক্তাদের কাছে আসছে সবকিছুতেই নকল, ভেজালের ছড়াছড়ি। নিরাপদ খাদ্য, খাদ্যে ভেজাল, মাছ মাংশে ফরমালিন মিশ্রণ, নকল ভেজাল এবং ক্যামিকেল দিয়ে ফলমূল পাকানোসহ মানব বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড চলমান থাকলেও সমাজের একটি বড় অংশ এ ব্যাপারে নীরব। খাদ্যে ভেজালের কারণে অকালে ক্যান্সার, কিডনী বিকল, স’ুল স্বাস’্য, হৃ্‌দরোগ, মুত্রনালি ও পাকস’লীর পীড়াসহ নানা রোগে রোগাক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার বদলৌতে বর্তমানে দেশের অধিকাংশ মানুষই এখন স্বাস’্যকর খাবার, নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কে অনেক বেশি সজাগ ও সচেতন হচ্ছে। তবে

র‌্যাবের অভিযান : পাবনায় ভেজাল মসলা কারখানা মালিকের কারাদণ্ড ও জরিমানা

 জেলার বেড়া উপজেলার দক্ষিণপাড়ায় একটি ভেজাল গুঁড়া মরিচ ও হলুদ তৈরির কারখানায় র‌্যাব সদস্যরা অভিযান চালিয়ে কারখানার মালিককে কারাদণ্ড প্রদান ও অর্থ জরিমানা করেছে। দণ্ডিত ব্যক্তির নাম দেলোয়ার হোসেন (৪০)। তিনি ওই এলাকার মৃত আবদুল লতিফ মিয়ার ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ভেজাল গুঁড়া মরিচ ও হলুদ উৎপাদন করে বাজারজাত করে আসছিলেন তিনি। গতকাল রোববার সকালে র‌্যাব এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। র‌্যাব-১২ সিপিসি-২ পাবনা ক্যাম্পের ডিএডি মো. এনামুল হকের নেতৃত্বে একটি অভিযানিক দল উক্ত কারখানায়

খাদ্যে ভেজাল প্রশ্নে সন্তানকে পরামর্শ

খাদ্যে ভেজাল প্রশ্নে সন্তানকে পরামর্শ তেলে ভেজাল, ফলে ভেজাল, মাছে ভেজাল, চকলেটে ভেজাল, খাবোটা কি বাবা? অনিক তার বাবাকে জিজ্ঞেস করছে একথা। বলার কারণ হলো ঘরে আপেল আছে, বাবা বলেছে খেও না, আঙ্গুর আছে খেও না, চকলেট আছে খেও না, আচার আছে খেও না- খাওয়ার বারণ সবকিছুতেই। শিশু অনিকের মনে তখন অনেক প্রশ্ন- মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। :বাবা, কেন তুমি খেতে দাও না ওসব? :দেখ বাবা, আপেলে এক রকম বিষাক্ত ফরমালিন মিশিয়ে বিক্রি করে যা খেলে পেটব্যথা হয়, বমি হয়,

আনন্দ শোভাযাত্রায়ও ভেজাল

৭ই মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারীদের ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ নিয়ে চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেছে। এসব চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে গেছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মাঝারির সারির কিছু কর্মকর্তার নাম। এছাড়া সিনিয়র কর্মকর্তাদেরও চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, শোভাযাত্রার দায়িত্বপ্রাপ্ত এক সিনিয়র কর্মকর্তার কাছে শোভাযাত্রা উপলক্ষ্যে তিন কোটি টাকা দেওয়া হয়। কথা ছিল বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে ভাগ করে ওই অর্থ বরাদ্দ দেবেন তিনি। কিন্তু কিছু খরচ ছাড়া ওই অর্থের সিংহভাগই নিজের পকেটে রেখে দিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।

লালপুরে ভেজাল গুড় কারখানায় র‌্যাবের অভিযান : জরিমানা

র‌্যাব-৫-এর সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালত উপজেলার বালিতিতা ইসলামপুর এলাকায় আখের গুড় উৎপাদনকারী পৃথক ৪টি কারখানায় অভিযান চালিয়ে উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ ভেজাল গুড় উদ্ধার করে এবং কারখানার মালিকদের জরিমানা করে। জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫-এর নাটোর ক্যাম্পের মেজর আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নজরুল ইসলামের ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে বালিতিতা ইসলামপুর গ্রামের মসলেম উদ্দিনের দুই ছেলে গোলাম মোস্তফা (৪৫) ও মোস্তাফিজুর রহমান (৩৪), কলিমুদ্দিনের ছেলে একাব্বর আলী (৩০) এবং লালপুর কলোনির