চেয়ারম্যান

chairman

এস এম মোরশেদ

চেয়ারম্যানের বাণী

ভেজাল ও দুর্নীতি মুক্ত দেশ আমাদের স্বপ্ন

তিন অক্ষরের একটি নাম ভেজাল। শব্দটি বাংলাদেশের জন্য একটি আতংক। তবে এ আতংক ভোক্তাদের জন্য। উদ্বেগের সাথে দেখা যাচ্ছে দেশের এমন কোন ভোগ্য পন্য নেই যেটা ভেজাল মুক্ত। জনস্বাস্থ্যকে হুমকির সামনে রেখে ও ভোক্তাকে জিম্মি করে ভেজাল খাদ্য দ্রব্য, ভেজাল ঔষধ ও ঝুকিপূর্ন স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে কিছু মুনাফলোভী ব্যবসায়ী রাতারাতি টাকার পাহাড় বানাচ্ছে। সরকার থেকে এ ব্যাপারে অনেকবার উৎকন্ঠা ও হুঁশিয়ারি উচ্চারন করলেও ভেজালের বেড়াজাল থেকে আমরা বের হতে পারছি না। সবচেয়ে দূর্ভাগ্যজনক ব্যপার হচ্ছে আমাদের শিশু খাদ্যে ভেজালের কারনে অনেক শিশু স্বস্থ্য ঝুকি এমনকি মৃতু ঝঁকিতে রয়ে গেছে। জীবন রক্ষাকারী ঔষধ নিয়েও চলছে ভেজালের দৌড়াত্ব। আরও রয়েছে বেসরকারী ক্লিনিক ও হাসপাতালের রোগী বানিজ্য যা রীতিমত বিভীষিকাময়। খাদ্যে ফরমালীন ও বিষ নিয়ে পত্রিকাগুলোতে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশিত হলেও এর প্রতিকার এখনও ভোক্তাদের নাগালের মধ্যে আসে নাই। দেশের জেলা ও বিভাগীয় শহরগুলোতে বাহারি নামে সুপার শপ খোলা হয়েছে যেগুলো ফরমালীন ও ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করতে পারে নাই। তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে এদেশে বিরাজিত বহুবিধ সমস্যার মধ্যে ভেজাল একটি শক্তিশালী সমস্যা ও অমার্জনীয় অপরাধ। দেশকে ভেজালের অভিষাপ থেকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে ও ভোক্তাদেরকে তাদের অধিকার আদায়ের দিকে দৃষ্টি রেখে  জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ব্যাপক প্রচারনা ও ভেজালের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে ফাউন্ডেশন তার অন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এ অন্দোলন একটি সামাজিক অন্দোলন হিসেবে রুপ নিয়ে যখনই সফলতা হয়ে আনবে তখনই আমাদের স্বার্থকতা। জাতীয় ভেজাল প্রতিরাধ ফাউন্ডেশন এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কামনা করছে।