জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন

মাসে ৩৫ হাজার মানুষের মৃত্যু কারণ ভেজাল খাদ্য

আমরা প্রতিনিয়ত নানা ধরনের খাবার খাই। মুখোরোচক খাদ্য থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে কত চেষ্টায় আমরা করে থাকি। কিন্তু বাজার থেকে কিনে আনা এসব স্বাস্থ্যকর খাবার কি আসলেই স্বাস্থ্যকর নাকি এই খাবারই আমাকে দ্রুত মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এটা কি কখনও ভেবেছেন? প্রতি মাসে সারা বিশ্বে ৩৫ হাজার লোকের মৃত্য ঘটে শুধুমাত্র ভেজাল খাদ্যের কারণে। আর প্রতি বছর ১০ জনের মধ্যে একজন মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছে ভেজাল খাদ্যের কারণে। এটা আমার আপনার কথা নয়। এমন ভয়ানক তথ্য দিয়েছে বিশ্ব

‘জনসচেতনতাই খাদ্য ভেজাল দূর করতে পারে’

খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, জনসচেতনতা থাকলে খাদ্য ভেজাল থেকে নিজে ও অপরকে দূরে রাখতে পারবে। খাদ্য ভেজাল দূর করতে সকলকে সচেতন হতে হবে। সব জায়গায় ভেজাল দিচ্ছে। বড় বড় প্রতিষ্ঠান বা হোটেলগুলোতেও খাদ্যে ভেজাল হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে নারায়ণগঞ্জ জেলা সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত ‘রোহিঙ্গা সেবা ২১দিন ও নিরাপদ খাদ্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক ভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের জন্য নিরাপদ

কীভাবে চিনবেন ভেজাল সার

ফসল উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন রাসায়নিক সার ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সারে ভেজাল দ্রব্য মিশিয়ে তৈরি ও বিক্রি করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। তাই আসল সার চেনা জরুরি। তবে একটু সতর্ক হলেই আসল ও ভেজাল সারের পার্থক্য বোঝা যায়। আসুন জেনে নেই ভেজাল সার চেনার উপায়- ইউরিয়া আসল ইউরিয়া সারের দানাগুলো সমান হয়। তাই কেনার সময় প্রথমেই দেখে নিতে হবে যে সারের দানাগুলো সমান কি না। ইউরিয়া সারে কাঁচের গুড়া অথবা লবণ ভেজাল হিসেবে যোগ করা হয়। চা চামচে অল্প পরিমান ইউরিয়া

বিশ্বস্বাস্থ্য দিবস আজ, ভেজাল খাবারের ঝুঁকিতে দেশ

বিষাক্ত কেমিক্যাল সংমিশ্রণে খাদ্যসামগ্রী উত্পাদন ও ভেজাল খাবার বাজারজাতকরণ অব্যাহতভাবে চলছে। এ ভেজাল ও বিষাক্ত খাদ্য প্রতিরোধে সরকারের কার্যক্রম ব্যাপকভাবে চলছে। তারপরও ভেজাল বিষাক্ত ও কেমিক্যাল সংমিশ্রণে উত্পাদিত খাদ্যসামগ্রীর আগ্রাসনে স্বাস্থ্যসেবা চরম হুমকিতে। এ পরিস্থিতি সামনে রেখে আজ মঙ্গলবার বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হবে। দিবসটি উপলক্ষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নানা কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন। এ বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে “নিরাপদ পুষ্টিকর

বিষাক্ত খাদ্য: বাংলাদেশের আইনসমূহের পর্যালোচনা

খাদ্যে বিষাক্ত দ্রব্যের ব্যবহার বর্তমান সময়ে দেশের জনগনের মাঝে এক আতঙ্কের বিষয়। দ্রুত লাভের স্বার্থে কিছু ব্যবসায়ীরা মাছে ও দুধে ফরমালিন, ফলমূলে কার্বাইডসহ নানান বিষাক্ত কেমিক্যাল, সবজিতে রাসায়নিক কীটনাশক, জিলাপি-চানাচুরে মবিল, বিস্কুট, আইসক্রিম, কোল্ডড্রিংস, জুস, সেমাই, আচার নুডুলস এবং মিষ্টিতে টেক্সটাইল ও লেদার রং, পানিতে ক্যাডমিয়াম, লেড, ইকোলাই, লবণে সাদা বালু, চায়ে করাতকলের গুঁড়া, গুঁড়া মসলায় ভূষি, কাঠ, বালু, ইটের গুঁড়া ও বিষাক্ত গুঁড়া রং ব্যবহার করছে। ফলে কোনো খাবারই নিরাপদ নয়। এই বিশেষ দিকগুলো চরম উপেক্ষা করায় জনস্বাস্থ্য দিন

মোসলেম চেনালেন ভেজাল চিংড়ি

দোকানে সাজিয়ে রাখা চিংড়ি-ছবি- রানা  মোসলেমের বাড়ি বরিশালের মুলাদীতে। নগরীর বিভিন্ন মহল্লায় ফেরি করে মাছ বিক্রি করেন তিনি। শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ভোরে রাজধানীর সবচেয়ে পুরাতন মাছ বাজার সোয়ারীঘাটে পরিচয় হয় তার সঙ্গে। অভিজ্ঞ মোসলেম ছুঁয়েই বলে দিতে পারেন কোনটি কেমন মাছ, কিংবা ভেজাল আছে কিনা। দু’চার কথায় আলাপ জমে যায়। চিংড়ি প্রসঙ্গ আসতেই বলেন ভেজালে ভরে গেছে পুরো ঢাকা। ভালো চিংড়ি খুবই কম। কীভাবে চিনব এমন প্রসঙ্গ উঠতেই ডেকে নিয়ে গেলেন মনির হোসেন ব্যাপারির আড়তে। প্রথমেই দাম জিজ্ঞেস করলেন বিক্রেতার

জ্বালানি তেলে ভেজাল দিচ্ছে পদ্মা অয়েল!

সরকারী কোম্পানি পদ্মা অয়েলের বিরুদ্ধে জ্বালানি তেলে ভেজাল দেয়ার অভিযোগ করেছে সংসদীয় কমিটি। একই সাথে পদ্মা ওয়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সম্প্রতি বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয় বিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এই অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সূত্র জানায়, পদ্মা অয়েলের বিরুদ্ধে সংসদ সদস্যরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। কমিটির সভাপতি জানতে চান প্রক্রিয়াকরণ কারখানা না থাকার পরও কেন পদ্মা অয়েলকে কনডেনসেট সরবরাহ করা হলো। পেট্রোল ও অকটেনেই ভেজাল মেশানো হয়। ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হয় গ্যাস

কোথায় পাবো ফরমালিনমুক্ত খাবার!

২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর প্রথমে মালিবাগ বাজারকে ফরমালিনমুক্ত ঘোষণা করা হয়। এর পর বাদামতলী, মোহাম্মদপুর টাউন হল সিটি করপোরেশন কাঁচাবাজার, কাপ্তানবাজার, গুলশান উত্তর কাঁচাবাজার, বনানী, নিউমার্কেট, শান্তিনগর, মহাখালী সিটি করপোরেশন মার্কেট, আজমপুর-উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টর সমবায় সমিতি বাজার ও মিরপুর ১ নম্বর বাজারকে ফরমালিনমুক্ত ঘোষণা করা হয়। সরকারের পক্ষ থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ও রাজধানীর বাজারগুলো ফরমালিনমুক্ত করতে উদ্যোগ নেয়। কিন্তু বাজারগুলোতে ফরমালিন মিশ্রিত মালামাল চিহ্নিত করার ফরমাল ডিহাইড্রেট মেশিন থাকলেও তার ব্যবহার নেই। কী খাব? নিরাপদ কোনো খাবার আদৌ

কীটনাশকে ভেজাল দিলে জেল-জরিমানা

কীটনাশকে ভেজাল মিশালে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা জরিমানা ও ২ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে বালাইনাশক আইন’২০১৭ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার তাঁর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। এসময় ২০১৭ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার গত বছরের একই সময়ের চেয়ে নয় দশমিক চার ছয় শতাংশ বেড়েছে। বৈঠকের পরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান, জুলাই থেকে

মানহীন পণ্যে সয়লাব সারা দেশ ভেজাল পণ্যের ছড়াছড়ি, নকল প্রসাধনীর সমাহার বাজারে

বাজার, দোকান, সুপার শপ— কোথাও ভেজালমুক্ত খাদ্যপণ্য মিলছে না। মাছেও ফরমালিন, দুধেও ফরমালিন। ফল-ফলারিতে দেওয়া হচ্ছে কার্বাইডসহ নানা বিষাক্ত কেমিক্যাল। শাক-সবজিতে রাসায়নিক কীটনাশক, জিলাপি-চানাচুরে মবিল। ব্রেড, বিস্কুট, সেমাই, নুডলসসহ সব রকম মিষ্টিতে টেক্সটাইল-লেদারের রং। আর মুড়িতে ইউরিয়া-হাইড্রোজেনের অবাধ ব্যবহার চলছে। শিশুখাদ্য দুধও ভেজালমুক্ত রাখা যাচ্ছে না। অতিরিক্ত রেডিয়েশনযুক্ত গুঁড়া দুধ আমদানি হচ্ছে দেদার। ছানার পরিত্যক্ত পানির সঙ্গে ভাতের মাড়, এরাররুট আর কেমিক্যাল মিশিয়ে প্রস্তুতকৃত সাদা তরল পদার্থকে ‘গাভীর দুধ’ বলে সরবরাহ করা হচ্ছে। নোংরা পানি ব্যবহার করে আইসক্রিম বানানো হচ্ছে