জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন

রস ছাড়াই তৈরি হচ্ছে খেজুর গুড়!

মেশানো হচ্ছে বিষাক্ত কেমিক্যাল আটা, চিনি, ফিটকিরি, ডালডা ও খড় পঁচানো পানি খেজুর রস ছাড়াই তৈরি হচ্ছে গুড়। আটার গোলায় চিনি, ফিটকিরি, ডালডার মিশ্রণে দেয়া হচ্ছে পুরাতন গুড় আর টাটকা গুড়ের রঙ বানাতে মেশানো হচ্ছে খড় পঁচানো পানি। ঘিওর উপজেলাসহ মানিকগঞ্জের প্রায় প্রত্যেকটি হাট বাজারে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এই গুড়। চিনি ও কেমিক্যাল মিশিয়ে ভেজাল গুড় তৈরির মহোৎসব চললেও তা তৈরি ও বিক্রি ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। তাই

যা খাচ্ছি তা ভেজাল কিনা বুঝবেন কী করে?

মৃদুভাষণ ডেস্ক::প্রতিদিন পুষ্টিকর খাবার ডিম, দুধ, মাখন সবই খাচ্ছেন। মাঝেমধ্যেই ফুড পয়জনিংয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেক সময় এসব খাবার ভেজাল হওয়ার কারণে এমনটা হয়ে থাকে। তাহলে ভাবছেন যা খাচ্ছি তা ভেজাল কিনা বুঝবেন কী করে। ঘরোয়া পদ্ধতিতে নিমেষেই আপনি পরীক্ষা করে নিতে পারেন খাবারটি ভেজাল কী না। চলুন জানা যাক যেভাবে বুঝবেন খাঁটি আর ভেজাল খাবার কোনটি। মাখন: এক টুকরো মাখন ফুটন্ত পানিতে রাখুন। যদি মাখন গলে যায় উপরি ভাগে স্তর তৈরি হয় তাহলে মাখন আসল। যদি টুকরো টুকরো হয়ে যায়

অচল পয়সা ভেজাল মানুষ

জান মহম্মদের চোখ এড়ায়নি। মাথার উপর চকচকে সাইনবোর্ড। রয়েল বেকারি এন্ড ফুডস। নিচে তার দৃষ্টিও ঝকঝকে। মধ্যদুপুর। সবকিছু রোদের আলোয় উজ্জ্বল। তবু তারমধ্যে অন্ধকার খুঁজে পায় তার মন। উন্মন অস্থির করে সবসময়। আরও অনেককিছু দেখে যায় নিশ্চুপ। এই ফাঁকে দুচোখ চারপাশ ঘুরে আসে। বাঁ-হাত তেল কুচকুচে কালো ভুড়ি। ছেলেটি অবশেষে সিকি কয়েনটি বয়ামের উপর রাখে। অস্থির দৃষ্টি। গুমট আকাশের মতো মুখ। ম্লান। বিষণ্ন। রাস্তার ওপাশে দুল-চুড়ি-খেলনার দোকান থেকে নেইলপলিশের গন্ধ দমকা বাতাসের মতো ছুটে আসে। ‘নিমকি বিস্কুট দেন।’ ‘চার আনার?’

চিংড়িতে অভিনব কায়দায় ভেজাল দিয়ে রাতারাতি কোটিপতি

 দেশের মিঠাপানির ‘সাদা সোনা’ বলে খ্যাত চিংড়িতে বিভিন্ন ভেজাল যেমন জেলি, সাগু, পানি, পাউডার, সাদা লোহা পুশ করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। এবং এই চিংড়ি দেশী এবং বিদেশী বাজারে রপ্তানি করে কোটিটাকা কামিয়ে নিচ্ছে কিছু ব্যবসায়ী। বাংলাদেশের চিংড়ির সুনাম আছে বিশ্ব বাজারে। আর তাই চাহিদাও ভালো বিদেশে। তবে কতদিন আর এই চাহিদা থাকবে কিংবা বাংলাদেশকে চিংড়ি বাজারে কালো তালিকা ভুক্ত করবে আন্তর্জাতিক সংস্থা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছেনা। কারণ দেশের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী খুলনায় অবাধে ‘সাদা সোনা’ বলে খ্যাত চিংড়িতে বিভিন্ন

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর ও জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন এর প্রশিক্ষন কর্মশালা

দেশের মানুষ এমনকি পশু সম্পদকে পর্যন্ত ভেজাল, নকল ও জীবন বিনষ্টকারী খাদ্য ও ঔষধের হাত থেকে রক্ষার জন্য  আত্মপ্রকাশ করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর যার ঠিকানা টিসিবি ভবন, ১ নং কাওরান বাজার, ঢাকা। অবশ্য সারা দেশে এর অঙ্গ সংগঠন রয়েছে মানুষকে সুরক্ষার জন্য। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে এ প্রতিষ্ঠানটি বাজার ব্যবস্থা তদারকির মাধ্যমে নকল ও ভেজাল ছাড়াও ওজনে কারচুপি, মেয়াদ উত্তীর্ন খাদ্য ও ঔষধ বিক্রি ও মজুদসহ জনস্বাস্থ্যকে হুমকির মধ্যে রাখার মত সকল অপরাধের যথাযথ প্রতিকার করে থাকে। দেশে ক্রমবর্ধমান

বন্ধ হোক নকল ও ভেজাল ওষুধের

 দেশে ঔষধ সম্পর্কে যে কিছু করা আবশ্যক এই উদ্বেগ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় মুদ্রিত হয় এ ভাবে-‘অনেক তথাকথিত ঔষধ নির্মাতারা আসলে এ দেশে কাঁচামাল আমদানী করে বোতলজাত করে মাত্র এবং তারা বিদেশী কোম্পানীর মূলতঃ এজেন্ট। ঔষধের মান নিয়ন্ত্রণ দুর্বল এবং নকল ঔষধের ছড়াছড়ি।তাই প্রয়োজন জীবনরক্ষাকারী ঔষধের, পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় ঔষধের, ঔষধ-নিয়ন্ত্রণ আইনের পর্যালোচনা এবং সংশোধনের।স্বাধীনতার পর পর প্রধানত বৈদেশিক মুদ্রার অভাবের কারণে টিসিবি-এর মাধ্যমে সরাসরি ইউরোপিয়ান সোস্যালিস্ট দেশগুলি হতে বিনিময় ভিত্তিতে সস্তায় জেনেরিক নামে ঔষধ কেনা হত।কিন্তু তখনই এ সমস্ত

জীবননগরে চিনি দিয়ে তৈরি হচ্ছে ভেজাল খেজুর গুড়

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ব্যাপকহারে নিম্নমানের ও নোংরা চিনি দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ভেজাল খেজুর গুড়। এক শ্রেণির অর্থলোভী গুড় উৎপাদনকারী জীবননগরের সুস্বাদু গুড়ের ব্যাপক চাহিদাকে পুঁজি করে খেজুর রসের সঙ্গে চিনি জ্বালিয়ে ভেজাল খেজুর গুড় তৈরি করে তা অবাধে বাজারজাত করছে। এসব চিনি মেশানো ভেজাল গুড় এখন উপজেলার হাটবাজারে সয়লাব হয়ে গেছে এবং এ গুড় চলে যাচ্ছে রাজধানীসহ দেশের সর্বত্র। ক্রেতাদের অভিযোগ নিম্নমানের চিনি, পুরাতন চিটাগুড় ও গুড়ের মতো বিশেষ রং দিয়ে এ গুড় তৈরি করা হচ্ছে যা শরীরের জন্য অত্যন্ত

খাদ্যে ভেজাল অকাল মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে

 দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য বিষ ও ভেজালমুক্ত পুষ্টিমানসম্পন্ন খাদ্য নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হলেও রাষ্ট্র তা পালনে ব্যর্থ হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে ফুটপাত থেকে শুরু করে নামি দামি হোটেল রেস্টুরেন্টের কোনো পণ্যই ভেজালমুক্ত নয়। প্রয়োজনের তাগিদে জেনে বুঝেই সাধারণ জনগণ এসব খাবার খেতে বাধ্য হচ্ছে। খাদ্যে ভেজাল মিশানোর অপরাধ হিসেবে ভারতে সাজা যাবজ্জীবন; চীনে মৃত্যুদণ্ড, পাকিস্তানে ২৫ বছরের কারাদণ্ড, যুক্তরাষ্ট্রে সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। আমাদের দেশে এ বিষয়ে আইন আছে, কিন্তু তার যথাযথ প্রয়োগ নাই। বর্তমানে এমন কোনো

মানহীন পণ্যে সয়লাব সারা দেশ ভেজাল পণ্যের ছড়াছড়ি, নকল প্রসাধনীর সমাহার বাজারে

বাজার, দোকান, সুপার শপ— কোথাও ভেজালমুক্ত খাদ্যপণ্য মিলছে না। মাছেও ফরমালিন, দুধেও ফরমালিন। ফল-ফলারিতে দেওয়া হচ্ছে কার্বাইডসহ নানা বিষাক্ত কেমিক্যাল। শাক-সবজিতে রাসায়নিক কীটনাশক, জিলাপি-চানাচুরে মবিল। ব্রেড, বিস্কুট, সেমাই, নুডলসসহ সব রকম মিষ্টিতে টেক্সটাইল-লেদারের রং। আর মুড়িতে ইউরিয়া-হাইড্রোজেনের অবাধ ব্যবহার চলছে। শিশুখাদ্য দুধও ভেজালমুক্ত রাখা যাচ্ছে না। অতিরিক্ত রেডিয়েশনযুক্ত গুঁড়া দুধ আমদানি হচ্ছে দেদার। ছানার পরিত্যক্ত পানির সঙ্গে ভাতের মাড়, এরাররুট আর কেমিক্যাল মিশিয়ে প্রস্তুতকৃত সাদা তরল পদার্থকে ‘গাভীর দুধ’ বলে সরবরাহ করা হচ্ছে। নোংরা পানি ব্যবহার করে আইসক্রিম বানানো হচ্ছে

কীটনাশকে ভেজাল দিলে জেল, জরিমানা ও কারাদণ্ড

 কীটনাশকে ভেজাল দিয়ে কৃষককে প্রতারণা করলে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের কারাদে র বিধান রেখে বালাইনাশক আইনের খসড়ার  অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম। তিনি জানান, বালাইনাশক কার্যক্রম ১৯৭১ সালের একটি অধ্যাদেশ অনুযায়ী পরিচালিত হয়ে আসছে। এবার এই অধ্যাদেশটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপ দেয়া হচ্ছে। শফিউল আলম আরো জানান, যদি কীটনাশকে ভেজাল দেয়া হয়, বিজ্ঞাপন ও