জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন

সংবাদ প্রকাশের পর ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান ভেজাল সার আটক, জরিমানা

ভেজাল বিরোধী ভ্রাম্যমান আদালত গতকাল সোমবার চুয়াডাঙ্গা  সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ ও খাড়াগোদা বাজারে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভেজাল ও নিম্নমানের দস্তাসার আটক করেছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার (ভ’মি)  টীটন খীসার নেতৃত্বে আদালত এসময় তিন মজুদদারকে  অর্থদন্ডাদেশ দিয়েছেন। ভেজাল বিরোধী ভ্রাম্যমান আদালত অভিযানকালে প্রথমে খাড়াগোদা বাজারের আহসান হাবীবের দোকান থেকে ২০৫ প্যাকেট ‘করজিংক হেপ্টা ’ আটক করে। নিম্নমানের এই সার বিক্রির দায়ে  আহসান হাবীবকে দুই হাজার টাকা অর্থদন্ডাদেশ প্রদান করেন। এরপর সরোজগঞ্জ বাজারের ব্শ্বিাস বীজ কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে ৫০ প্যাকেট

খাদ্যে ভেজাল

খাদ্যে নিম্নমানের, ক্ষতিকর, অকেজো ও অপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মেশানো। প্রকৃতিগত ও গুণগত নির্ধারিত মানসম্মত না হলে যে কোনো খাদ্যদ্রব্যই ভেজালযুক্ত বিবেচিত হতে পারে। অসাধু ব্যবসায়ীরা অতি মুনাফার জন্য সাধারণত এ কাজ করে থাকে। ভেজাল দেওয়ার প্রক্রিয়ায় খাদ্যশস্যে বহির্জাত পদার্থ সরাসরি যোগ করা হয়, যেমন ওজন বৃদ্ধির জন্য বালি বা কাঁকর, ভাল শস্যের সঙ্গে কীটপতঙ্গ আক্রান্ত বা বিনষ্ট শস্য মেশানো ইত্যাদি। কেউ কেউ ধানভানার সময় খুদ ও কুঁড়া যোগ করে ওজন বাড়ায়। আজকাল দানাশস্য-এর সঙ্গে শস্যদানার আকারের প্লাস্টিকের ছোট ছোট টুকরা আর

খাদ্যে বিষ : ঠিক যেন নীরবে গণহত্যা

বাংলাদেশের গ্রামীণ জনগোষ্ঠী সেই আদিকাল থেকেই কৃষিকে সযত্নে লালন করে আসছে। জ্যামিতিক হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বছরে একশতাংশ হারে কৃষি জমি হ্রাস, কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি, কৃষকের সীমিত জ্ঞান প্রভৃতি প্রতিবন্ধক থাকা সত্ত্বেও বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকারের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তার এবং কৃষি বিজ্ঞানীদের ধারাবাহিক অভূতপূর্ব সাফল্যে বাংলাদেশ সম্প্রতি খাদ্যে স্বনির্ভরতা অর্জন করার পাশাপাশি রপ্তানি করতেও সক্ষম হচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ করেই আমাদের এই অর্জনকে ধূলোয় মিশিয়ে জীবনের অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে খাদ্যে বিষক্রিয়া। আজকাল খাবারে ভেজাল কথাটা

যা খাচ্ছি সব ভেজাল: চরমোনাইর পীর

চরমোনাইর পীর এবং ইসলামী আন্দোলনের আমীর মুফতী সৈয়দ মো.রেজাউল করীম বলেছেন, বাংলাদেশে আমার যা খাচ্ছি, প্রতিটা জিনিসের ভিতরে ভেজাল। যেটার মাধ্যমে মানুষ দিন দিন আরও দূর্বল হচ্ছে। আর বিভিন্ন দেশে দেখবেন যারা খাদ্যের ভিতর ভেজাল ডুকায় তাদের শাস্তি হলে একেবারেই কতল। সোমবার বিকেল সাড়ে চারটায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কলাপাড়া উপজেলা শাখা আয়োজিত কলাপাড়া পৌর শহরের শিশু পার্কের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।’ ইসলামী আন্দোলন পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি মুফতী মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য

উড়োজাহাজের তেলে ভেজাল

সাত বিমানবন্দরে ভেজাল জ্বালানির অস্তিত্ব * ফিল্টার মনিটর কাটা লালের ঘরে * যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার শংকা পেট্রল অকটেনের পর এবার উড়োজাহাজের জ্বালানিতেও (জেট ফুয়েল) ভয়াবহ ভেজালের প্রমাণ মেলেছে। জেট ফুয়েলের সঙ্গে সুপার এবজরমেন্ট পলিমার (সেপ) মিশিয়ে ভেজাল জ্বালানি তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬টি বিমানবন্দরে ভেজাল জ্বালানির প্রমাণ মিলেছে। এ ধরনের জ্বালানি ব্যবহার করায় যে কোনো সময় উড়োজাহাজে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা আছে। জেট ফুয়েলে ভেজাল থাকায় সম্প্রতি বিমানের বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর উড়োজাহাজের (বিজি ০৪৯) একটি ইঞ্জিন পুড়ে

নগরীতে লাইসেন্স বিহীন ফার্মেসী ভেজাল ও নিম্নমানের ঔষধে সয়লাব

  সিলেট নগরী ও তার আশপাশ এলাকায় লাইসেন্স বিহীন ফার্মেসীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে ,তাতে ভেজাল ও নিম্নমানের ঔষধ আর অপচিকিৎসার শিকার হচ্ছেন সহজ সরল সাধারণ মানুষ। এই সব ফার্মেসী গুলোতে নাই কোন ফার্মাসিস্ট অভিজ্ঞ সেলস্ ম্যান।নগরীর প্রতিটি পাড়া মহল্লায় এই সব ফার্মেসীতে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে নিম্নমানের কোম্পানীর মানহীন ঔষধ প্যারাসিটামল থেকে শুরু করে এন্টিবায়োটিক পর্যন্ত ।যা সেবনে উপকার তো হচ্ছেইনা বাড়ছে শরীরে নানা স্বাস্থ্যঝুকি। এই সব অধিকাংশ ফার্মেসীর নেই ড্র্রাগ লাইসেন্স এমন কি ফার্মেসী পরিচালনার জন্যে যে ন্যুনতম

ভেজাল গুড় কারখানায় অভিযান

বস্তায় ভরে কারখানায় রাখা হয়েছে নিম্নমানের পাটালিগুড়। সেখান থেকে গুড়গুলো বের করে ময়লাযুক্ত পাকা মেঝেতে গুড়ো করা হচ্ছে। ঝোলাগুড় রাখা হয়েছে নোংরা পাতিলে। পাতিলের গুড়ে পাওয়া গেল মরা মাছি ও ময়লা আবর্জনা। পাশেই সেসব গুড় কার্টুনে প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানোর জন্য। নোংরা আবর্জনার দুর্গন্ধে বিষিয়ে উঠেছে পরিবেশ। – এমন চিত্র পাওয়া গেল একটি গুড় কারখানায়। নাটোরের গুরুদাসপুর পৌরসভার চাঁচকৈড় পুরানপাড়া এলাকায় এমন চারটি ভেজাল গুড় উৎপাদনকারি করাখানায় অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। পরে ভেজাল মিশ্রিত ১৪৫ লিটার ঝোলাগুড়

খাবারে ভেজাল মেশালে এবার চরম শাস্তি

স্বাধীনতার আগে জওহরলাল নেহরু একবার বলেছিলেন, কালোবাজারিদের ল্যাম্পপোস্টে ঝোলানো উচিত৷ কিন্তু স্বাধীনতার পর প্রথম প্রধানমন্ত্রী তেমনটি করতে পারেননি আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠা ও তার উপর জনগণের আস্থা স্থাপনের জন্যই৷ কিন্তু মানুষের জীবন-মরণের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়টিতে একটি কঠোর আইনের জন্য সত্তর বছর অপেক্ষা করতে হল৷ এবার ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বিক্রিতে শাস্তি আরও কঠোর হচ্ছে৷ হতে পারে যাবজ্জীবন কারাবাস এবং কয়েক লক্ষ টাকা জরিমানা৷ বর্তমানে এই ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে ছ’মাস পর্যন্ত কারাবাস ও এক হাজার টাকা আর্থিক জরিমানার সংস্থান রয়েছে আইনে৷ তবে ভারতীয় দণ্ডবিধির

মৌসুমেও ভেজাল গুড়

রাজশাহী ব্যুরো : শীত মৌসুম মানে পিঠা পায়েসের মৌসুম। নতুন ধানের চালের সাথে চিনি কিংবা গুড়ের মিশ্রনে তৈরি পায়েস দেখে রসনা সংযত করতে পারবেন এমন মানুষ খুব আছে। আর নবান্নতো শুরু হয় পিঠা পায়েস দিয়ে। এসময় যেমন আমন ধান ওঠে তেমনি আসে মাঠে মাঠে আখ হতে রস। যা দিয়ে চিনি আর গুড় হয়। আর এসময় মেলে খেজুর গাছ হতে কলস কলস ভরা রস। এ রস দিয়ে যেমন পায়েস বানানো যায় তেমনি গুড়ও তৈরী হয়। আল্লাহর কি কুদরত লাঠি ভরা শরবত

ভেজাল নির্মূলে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হবে

মায়ের গর্ভে যখন একটি শিশুর জন্মের প্রক্রিয়া শুরু হয়, সেসময় থেকে পরবর্তীকালে বেড়ে ওঠা এবং মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের জন্য খাবার প্রয়োজন। খাদ্য গ্রহণ না করলে মানুষ বাঁচতে পারবে না। কিন্তু বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় সব খাদ্যদ্রব্যেই মেশানো হচ্ছে ভেজাল। একারণে কোন খাবারই এখন আর নিরাপদ নয়। ফলমূলে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর কার্বাইডসহ নানা বিষাক্ত কেমিক্যাল, মাছে ও দুধে ফরমালিন, চানাচুর-জিলাপিতে মবিল, সবজিতে কীটনাশক, বিস্কুট-আইসক্রিম-জুস-সেমাই-আচার-নুডলস্ এবং মিষ্টিতে টেক্সটাইল ও লেদার রং, পানিতে ক্যাডমিয়াম, লেড, ইকোলাই, লবণে সাদা বালু, চায়ে করাতকলের গুঁড়ো, গুঁড়ো মসলায়