জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন

হবিগঞ্জে ভেজাল পণ্যে সয়লাব

ভেজাল পণ্যে সয়লাব হয়ে পড়েছে হবিগঞ্জের বাজারগুলো। খাদ্যদ্রব্যসহ এমন কোনো পণ্য নেই যেখানে ভেজাল নেই। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী গুঁড়ো মসলা, ভোজ্য তেল, ঘি, লবণ, মধু, আটা ও ময়দাসহ বিভিন্ন পণ্যে মেশাচ্ছে ভেজাল। এ চক্রটি বিভিন্ন স্থানে গোপনে গড়ে তুলেছে ভেজাল পণ্যের কারখানা। প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মাঝে মাঝে শহর এলাকায় ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনা করলেও ভাটি অঞ্চলে নেই কোনো নজরদারী। এতে গ্রাম এলাকার বিভিন্ন বাজারে নির্বিঘ্নে চলছে ভেজাল পণ্যের রমরমা ব্যবসা। আর এসব ভেজাল পণ্য খেয়ে মারাত্মক স্বাস্থ্য

ভেজাল মজুদ ও বাজারজাতকরণে কঠোর শাস্তি দুই আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর

মন্ত্রিসভা বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দুটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার হস্তান্তর করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক -পিআইডি প্রস্তাবিত বালাইনাশক আইন-২০১৭-এর অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এতে ফসল রক্ষার নামে পোকামাকড় দমনের ভেজাল বালাইনাশক মজুদ ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির প্রস্তাব করা হয়েছে। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকে আইনটির অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম বলেন, ‘প্রস্তাবিত আইনে নকল লেবেল ও ট্যাগ এবং বিজ্ঞাপনের জন্যও কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। এ

সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়ে ভেজাল ওষুধের ব্যবসায়ী

সেনাবাহিনীর চাকরি এবং ওষুধের ল্যাব ছেড়ে ভেজাল ওষুধের ব্যবসায় জড়িয়েছিল ফারুক মিয়া ও জয়নুল আবেদিন। পিবিআই ঢাকা মেট্রোর বিশেষ পুলিশ সুপার মো: আবুল কালাম আজাদ চ্যানেল আই অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান: পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঢাকা মেট্রোর একটি টীম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিরপুরের কল্যাণপুর ও খিলগাঁও থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করে। ‘ফারুক মিয়া দীর্ঘদিন সেনাবাহিনীতে চাকরী করলেও এক পর্যায়ে স্বেচ্ছায় চাকরী ছেড়ে  অধিক মুনাফার লোভে নকল ওষুধ তৈরীর কাজে নিজেকে নিয়োজিত করে। আর জয়নুল আবেদীন দীর্ঘদিন দ্য

মাছে ভেজাল মিশিয়ে দেশের সর্বনাশ করবেন না

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামান্য মুনাফার লোভে মাছে ভেজাল মিশিয়ে নিজের ও দেশের ক্ষতি না করতে মৎস্য ব্যবসায়ী, উৎপাদক ও রফতানিকারকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আমাদের এখানে মুনাফার লোভে কিছু কিছু মানুষের ভেজাল দেয়ার একটা প্রবণতা আছে। এই ভেজাল দিয়ে বেশি মুনাফা করতে গিয়ে একেবারে নিজের ব্যবসার সর্বনাশ, দেশেরও সর্বনাশ। এই সর্বনাশের পথে কেউ যাতে না যায়। দেশের মৎস্য সম্পদের বিপুল সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি সবাইকে অনুরোধ করব- সামান্য একটু মুনাফার লোভে নিজের ব্যবসাটা নষ্ট করবেন না, আর

বন্ধ হোক নকল ও ভেজাল ওষুধের

দেশে ঔষধ সম্পর্কে যে কিছু করা আবশ্যক এই উদ্বেগ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় মুদ্রিত হয় এ ভাবে-‘অনেক তথাকথিত ঔষধ নির্মাতারা আসলে এ দেশে কাঁচামাল আমদানী করে বোতলজাত করে মাত্র এবং তারা বিদেশী কোম্পানীর মূলতঃ এজেন্ট। ঔষধের মান নিয়ন্ত্রণ দুর্বল এবং নকল ঔষধের ছড়াছড়ি।তাই প্রয়োজন জীবনরক্ষাকারী ঔষধের, পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় ঔষধের, ঔষধ-নিয়ন্ত্রণ আইনের পর্যালোচনা এবং সংশোধনের।স্বাধীনতার পর পর প্রধানত বৈদেশিক মুদ্রার অভাবের কারণে টিসিবি-এর মাধ্যমে সরাসরি ইউরোপিয়ান সোস্যালিস্ট দেশগুলি হতে বিনিময় ভিত্তিতে সস্তায় জেনেরিক নামে ঔষধ কেনা হত।কিন্তু তখনই এ সমস্ত

মাসে ৩৫ হাজার মানুষের মৃত্যু কারণ ভেজাল খাদ্য

আমরা প্রতিনিয়ত নানা ধরনের খাবার খাই। মুখোরোচক খাদ্য থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে কত চেষ্টায় আমরা করে থাকি। কিন্তু বাজার থেকে কিনে আনা এসব স্বাস্থ্যকর খাবার কি আসলেই স্বাস্থ্যকর নাকি এই খাবারই আমাকে দ্রুত মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এটা কি কখনও ভেবেছেন? প্রতি মাসে সারা বিশ্বে ৩৫ হাজার লোকের মৃত্য ঘটে শুধুমাত্র ভেজাল খাদ্যের কারণে। আর প্রতি বছর ১০ জনের মধ্যে একজন মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছে ভেজাল খাদ্যের কারণে। এটা আমার আপনার কথা নয়। এমন ভয়ানক তথ্য দিয়েছে বিশ্ব

‘জনসচেতনতাই খাদ্য ভেজাল দূর করতে পারে’

খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, জনসচেতনতা থাকলে খাদ্য ভেজাল থেকে নিজে ও অপরকে দূরে রাখতে পারবে। খাদ্য ভেজাল দূর করতে সকলকে সচেতন হতে হবে। সব জায়গায় ভেজাল দিচ্ছে। বড় বড় প্রতিষ্ঠান বা হোটেলগুলোতেও খাদ্যে ভেজাল হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে নারায়ণগঞ্জ জেলা সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত ‘রোহিঙ্গা সেবা ২১দিন ও নিরাপদ খাদ্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক ভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের জন্য নিরাপদ

কীভাবে চিনবেন ভেজাল সার

ফসল উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন রাসায়নিক সার ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সারে ভেজাল দ্রব্য মিশিয়ে তৈরি ও বিক্রি করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। তাই আসল সার চেনা জরুরি। তবে একটু সতর্ক হলেই আসল ও ভেজাল সারের পার্থক্য বোঝা যায়। আসুন জেনে নেই ভেজাল সার চেনার উপায়- ইউরিয়া আসল ইউরিয়া সারের দানাগুলো সমান হয়। তাই কেনার সময় প্রথমেই দেখে নিতে হবে যে সারের দানাগুলো সমান কি না। ইউরিয়া সারে কাঁচের গুড়া অথবা লবণ ভেজাল হিসেবে যোগ করা হয়। চা চামচে অল্প পরিমান ইউরিয়া

বিশ্বস্বাস্থ্য দিবস আজ, ভেজাল খাবারের ঝুঁকিতে দেশ

বিষাক্ত কেমিক্যাল সংমিশ্রণে খাদ্যসামগ্রী উত্পাদন ও ভেজাল খাবার বাজারজাতকরণ অব্যাহতভাবে চলছে। এ ভেজাল ও বিষাক্ত খাদ্য প্রতিরোধে সরকারের কার্যক্রম ব্যাপকভাবে চলছে। তারপরও ভেজাল বিষাক্ত ও কেমিক্যাল সংমিশ্রণে উত্পাদিত খাদ্যসামগ্রীর আগ্রাসনে স্বাস্থ্যসেবা চরম হুমকিতে। এ পরিস্থিতি সামনে রেখে আজ মঙ্গলবার বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হবে। দিবসটি উপলক্ষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নানা কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন। এ বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে “নিরাপদ পুষ্টিকর

বিষাক্ত খাদ্য: বাংলাদেশের আইনসমূহের পর্যালোচনা

খাদ্যে বিষাক্ত দ্রব্যের ব্যবহার বর্তমান সময়ে দেশের জনগনের মাঝে এক আতঙ্কের বিষয়। দ্রুত লাভের স্বার্থে কিছু ব্যবসায়ীরা মাছে ও দুধে ফরমালিন, ফলমূলে কার্বাইডসহ নানান বিষাক্ত কেমিক্যাল, সবজিতে রাসায়নিক কীটনাশক, জিলাপি-চানাচুরে মবিল, বিস্কুট, আইসক্রিম, কোল্ডড্রিংস, জুস, সেমাই, আচার নুডুলস এবং মিষ্টিতে টেক্সটাইল ও লেদার রং, পানিতে ক্যাডমিয়াম, লেড, ইকোলাই, লবণে সাদা বালু, চায়ে করাতকলের গুঁড়া, গুঁড়া মসলায় ভূষি, কাঠ, বালু, ইটের গুঁড়া ও বিষাক্ত গুঁড়া রং ব্যবহার করছে। ফলে কোনো খাবারই নিরাপদ নয়। এই বিশেষ দিকগুলো চরম উপেক্ষা করায় জনস্বাস্থ্য দিন