জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন

ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ

রোগ নিরাময় ও প্রতিরোধে ওষুধের বিকল্প নেই। একই রোগের ওষুধ আবিষ্কারের পর তা গবেষণার মাধ্যমে আরও উন্নত এবং কার্যকর করার প্রক্রিয়া একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। একই গ্রæপের এই ওষুধ প্রায় প্রত্যেকটি কোম্পানিই উৎপাদন করে। দেখা যাচ্ছে, একেক কোম্পানির উৎপাদিত একই ওষুধের মানে যথেষ্ট হেরফের হয়। এর উপর রয়েছে নকলের প্রবণতা। বিস্ময়ের ব্যাপার হচ্ছে, দেশে এখন রোগ নিরাময়ের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ওষুধ ভেজালে আক্রান্ত। নকল ও মানহীন ওষুধে বাজার সয়লাব হয়ে গেছে। কোনো ধরনের গুণগতমান পরীক্ষা ছাড়াই ১৪ হাজার ব্র্যান্ডের ওষুধ বাজারে রয়েছে।

নীরব হত্যাকাণ্ড ॥ নিরাপদ খাদ্যের আইন আছে বাস্তবায়ন নেই ০ ভেজালবিরোধী অভিযান হলেও ভেজালের উৎস আজও চিহ্নিত হয়নি ০ থাইল্যান্ডের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশীদের বেশিরভাগ খাদ্যের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত

এক সময় দুধে পানি মিশিয়ে বিক্রি করাই ছিল চরম অপরাধ। পানি মেশানো দুধকেই ভেজাল হিসেবেও গণ্য করা হতো। এখন দুধে জীবনঘাতী উপাদানও মেলে। শুধু দুধ নয় দেশে সামগ্রিক নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তাই আজ হুমকির মুখে। ভেজাল ও বিষযুক্ত খাবার খেয়ে মানুষ ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেও এ বিষয়ে সরকারের কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেই। বিচারপতি খায়রুল হকের মতে, এটাও একটি হত্যাকাণ্ড। বিশেষজ্ঞদের মতে, সবার আগে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে না পারলে পদ্মা সেতু বা মেট্রোরেলের মতো বড় বড় প্রকল্প নিয়েও কোন

চট্টগ্রামের রহমানিয়া বেকারিকে জরিমানা নষ্ট শিরা, পোড়া তেলে জিলাপি, নিমকি

বিশাল কড়াইয়ে পোড়া কালচে তেল। দেখে বোঝার উপায় নেই যে এটি তেল না মবিল। নিচে জমেছে গাদ। রোজ এমন তেলেই ভাজা হচ্ছিল জিলাপি, নিমকি। খাবারে মেশানো হতো মেয়াদোত্তীর্ণ রং। কারখানার পরিবেশও অপরিচ্ছন্ন। এই চিত্র চট্টগ্রামের গোসাইলডাঙ্গার কে বি দোভাষ লেন এলাকার রহমানিয়া বেকারির কারখানার। গত কারখানায় অভিযান চালিয়ে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মাদ রুহুল আমীন। তিনি বলেন, বেকারিটিতে ব্যবহৃত সব পণ্যই নিম্নমানের। খাবারে যে রং ব্যবহার করা

ডিজিল্যাব ও আল হেলালকে জরিমানা

অনুমোদন ছাড়া ব্লাডব্যাংক চালানোসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে রাজধানীর মিরপুরে দুটি বেসরকারি হাসপাতালকে ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল সোমবার পৃথক অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা করা হয়। র্যাব সূত্র জানায়, গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত কাফরুল থানার সেনপাড়া পর্বতায় আল হেলাল স্পেশালাইজড হাসপাতালে অভিযান চালান। এতে র্যাব-২-এর একটি দল অংশ নেয়। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত হাসপাতালটিতে অনুমোদনহীন ব্লাডব্যাংক পরিচালনা, প্লাজমা সংরক্ষণ ফ্রিজ না থাকা, মেয়াদ উত্তীর্ণ রি-এজেন্ট রাখা,

৩ মেডিকেলে র‌্যাবের অভিযান, প্রায় ১২ লাখ টাকা জরিমানা

লাইসেন্স ছাড়া ব্লাড ব্যাংক পরিচালনাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে রাজধানীর পল্লবী ও কাফরুলের তিনটি মেডিকেলে অভিযান চালিয়ে ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাব। সোমবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মিরপুরের আল হেলাল স্পেশ্যালাইজড, ডিজিল্যাব মেডিকেল সার্ভিসেস-১ ও ২ নম্বর হাসপাতালে অভিযান চালায় র‌্যাব-২ এর ভ্রাম্যমান আদালত। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। এ সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ড. মো. শাহজাহান ও আব্দুর রব এবং ওষুধ প্রসাশনের তত্ত্বাবধায়ক মাহবুব হোসেন উপস্থিত ছিলেন। র‌্যাব-২ এর উপ-পরিচালক ড.

হলুদের বদলে রং দিয়ে রান্না, খাবার খেয়ে ২০ ছাত্র হাসপাতালে

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারিতে হলুদের বদলে বুনদিয়া তৈরির রং দিয়ে রান্না করা খাবার খেয়ে ২০ ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তারা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পাইকের ছড়া ইউনিয়নের পাটেশ্বরী হামিউচ্ছুন্নাহ বরকতিয়া মাদ্রাসায়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুন ভুইয়া (চ:দা:)সহ অভিভাবকরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। মাদ্রাসার সুপার রমজান আলী জানান, শনিবার দুপুরে উপজেলার বাড়াইটারী গ্রামের জনৈক আলহাজ্জ্ব সেকেন্দার আলী মাদ্রাসার ছাত্রদের জন্য ধর্মীয় মান্নাতের মাধ্যমে কুরবাণি করা কিছু গরুর মাংস দেন। মাংস রান্নার জন্য ওই এলাকার ডিপেরহাট দোকান থেকে বছির উদ্দিনের

চার ফার্মেসিকে ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা

বোয়ালখালীর ৪ ফার্মেসিকে ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার উপজেলার কানুনগোপাড়া বাজারে এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেওয়ান মো. তাজুল ইসলাম। এ সময় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক মাকনুন তাবাসসুম উপস্থিত ছিলেন। মো. তাজুল ইসলাম জানান, অভিযানকালে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অননুমোদিত ওষুধ বিক্রি, ড্রাগ লাইসেন্স না থাকা কিংবা নবায়ন না করা এবং ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রির অপরাধে মেসার্স ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল সেন্টার, মেসার্স রানি মেডিকো, মেসার্স শিমুল মেডিকো ও মেসার্স পপুলার ফার্মেসিকে (ড্রাগ অ্যাক্ট-১৯৪০ এবং ১৯৪৬) চারটি

ভেজাল খাদ্যে ক্যান্সার ঝুঁকি বাড়ছে শিশুদের

দশ বছরের শিশু রাজু হোসেন। বাড়ি মানিকগঞ্জের আরিচায়। বাবা মহিদুল ইসলাম কৃষিকাজ করেন। আর মা হাজেরা খাতুন গৃহিণী। এমনিতেই টানাটানির সংসার। তার উপর একমাত্র ছেলের হয়েছে ব্লাড ক্যান্সার। জমিজমা নেই, থাকেন পরের জায়গায়। সম্পদ বলতে ছিল একটা ঘর। ছেলের চিকিত্সা করাতে এসে সেটাও বিক্রি করছেন। বর্তমানে চিকিত্সাধীন রয়েছেন ঢাকা মেডিক্যালের শিশু বিভাগে। সুস্থ হবে এমন নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না চিকিত্সকরা। এভাবে রাজু হোসেনের মতো ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েই চলেছে। গতকাল ঢাকা মেডিক্যালের শিশু বিভাগে গিয়ে দেখা যায়,

এক একটি টাকি মাছের ওজন এক কেজি ৩০০ গ্রাম, দাম হাজার টাকা!

 রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ মাছ বাজারে এক ব্যবসায়ী ১০০০ টাকা করে টাকি মাছ বিক্রি করেছেন। তার সংগ্রহে ছিল ১১টি টাকি মাছ। এগুলোর ওজন ছিল ৫০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ৩০০ গ্রাম পর্যন্ত। অবশ্য, ওজন কমবেশি থাকায় মাছগুলো বিক্রি হয়েছে ভিন্ন দামেই। ওই মাছ ব্যবসায়ী গোয়ালন্দ পৌরসভার চার নাম্বার ওয়ার্ড বিজয় বাবুরপাড়া গ্রামের ফটিক চন্দ্র দাসের ছেলে মেঘ লাল জানান, গোয়ালন্দ মোড় নীমতলা বিল থেকে বেড় জাল দিয়ে ধরে আনা এক জেলের কাছ থেকে টাকি মাছগুলো তিনি ক্রয় করেন।মেঘ লাল জানান, ১১টি মাছের

সাভারে ভেজাল ও নকল ঔষধ বিক্রীর বিরুদ্ধে ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যান সমিতির উদ্যোগে র‌্যালী ও আলোচনাসভা

নেকল ও ফুড সাপ্লিমেন্ট পট বিক্রীর বিরুদ্ধে র‌্যালী ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে সাভার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যান সমিতির উদ্যোগে এ র‌্যালী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। র‌্যালীটি সাভার বাজার বাসষ্ট্যান্ড এর রাজ্জাক প্লাজার সামনে থেকে শুরু হয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক প্রদক্ষিন করে সাভার বাজার রোড দিয়ে ঘুরে থানা রোডে এসে শেষ হয়। এসময় স্থানীয় কিড্স আঞ্জুমান ইন্টারন্যাশনালের সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাভার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যান সমিতির সাধারন সম্পাদক এবং নাছ ফার্মার স্বত্তাধিকারী মোঃ আজমত