জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন

ঝিনাইদহে অসাধু ব্যবসায়ী কতৃক গুড়ে ভেজাল

জাহিদুর রহহমান তারিক,স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহ সদর, মহেশপুর, কোটচাঁদপুর, হরিনাকুন্ড, শৈলকুপা, কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে ভেজাল গুড়ে সয়লাব হয়ে গেছে। অধিক লাভের আশায় অসাধূ ব্যবসায়ীরা খেজুরের গুড়ে বিভিন্ন কেমিক্যাল মিশ্রন করছে। ফলে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছেন ভোক্তা সাধারন। এসব অসাধূ ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম বন্ধে প্রশাসনের কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নেই। গুড়ের ওজন বাড়াতে চিনি এবং চকচকে করতে হাইডোজ, ফিটকারী ও রং ব্যবহার করছে। আর এসব ভেজাল মিশ্রন করে মূলত গুড় বিক্রি করছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা দরে। অসাধূ ব্যবসায়ীরা বাজার থেকে পুরাতন গুড়

অতি মুনাফার আশায় ভেজাল দেয়ার দরকারটা কী: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী অতি মুনাফার আশায় খাদ্যে ভেজাল দিলে আখেরে ব্যবসার ক্ষতি হয় বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এতে দেশেরও সুনাম নষ্ট হয়। বিদেশেও দেশের বাজারের ক্ষতি হয়। বুধবার জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় বক্তব্য রাখার সময় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মৎস্য খাতে অবদান রাখায় ১৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরষ্কৃত করা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী মাছ উৎপাদন বৃদ্ধিতে গবেষণা, প্রক্রিয়াজাত করে রপ্তানির ওপর জোর দেন। গুরুত্ব দেন সততার ওপর। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এখানে ভেজাল দেয়ার একটা প্রবণতা আছে।

ভেজাল থাকে তাই এবার স্বর্ণপদক নাই

‘সোনায় খাদ ও ভেজাল থাকে’, তাই এবার পদক বিজয়ীদের স্বর্ণপদক দেবে না পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়। এর বদলে বিজয়ীদের দেওয়া হবে নগদ অর্থ। আগামী ৪ জুন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিবেশ পদক, বন্য প্রাণী সংরক্ষণে অবদান রাখার জন্য ‘বঙ্গবন্ধু অ্যাওয়ার্ড ফর ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন’, বৃক্ষরোপণে ‘প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পুরস্কার’ দেবেন। এসব ক্ষেত্রে পদকের পরিবর্তে নগদ অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। আজ বুধবার পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় এবার

সাবধান; ভেজাল সেমাইয়ে বাজার সয়লাভ

ঈদ উসব সেমাই ছাড়া পূর্ণতা পায় না। তবে কেবল ঈদে নয়, সেমাই সারা বছরই নানা আয়োজনে পরিবেশন করা হয়, অতিথি আপ্যায়নেও সেমাইয়ের জুড়ি মেলা ভার। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার পছন্দের খাবারের তালিকায় রয়েছে সেমাই। পবিত্র ঈদুল ফিতর ঘিরে অসাধু সেমাই ব্যবসায়ীরা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। এবারও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। তবে এবার বৃষ্টির কারণে বাড়ির ছাদে, খোলা জায়গায় না শুকিয়ে নোংরা ও সেঁতসঁযাঁতে ঘরে ফ্যানের বাতাসে শুকানো হচ্ছে সেমাই। এতে দেয়ালের নানা ময়লা ও ছাদের ধুলা-ময়লা সেমাইয়ে পড়ছে। এ ছাড়া ধুলাবালি আর

ভেজাল খেয়ে খেয়ে তো মরেই যাচ্ছি

 সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ বলেছেন, স্বাস্থ্য খাতে কোনো বরাদ্দ দেওয়ার দরকার নেই। স্বাস্থ্য খাতে টাকা লাগবে না। ডাক্তার লাগবে না। ভেজাল খেয়ে খেয়ে তো আমরা মরেই যাচ্ছি। কোনো কিছুর দরকার নেই। স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ অন্য খাতে দিয়ে দিন। আজ বুধবার জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় বিরোধীদলীয় নেতা এ কথা বলেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে চলা সংসদ অধিবেশনে এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। রওশন এরশাদ ভেজালবিরোধী অভিযানে সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন,

উড়োজাহাজের তেলে ভেজাল

সাত বিমানবন্দরে ভেজাল জ্বালানির অস্তিত্ব * ফিল্টার মনিটর কাটা লালের ঘরে * যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার শংকা পেট্রল অকটেনের পর এবার উড়োজাহাজের জ্বালানিতেও (জেট ফুয়েল) ভয়াবহ ভেজালের প্রমাণ মেলেছে। জেট ফুয়েলের সঙ্গে সুপার এবজরমেন্ট পলিমার (সেপ) মিশিয়ে ভেজাল জ্বালানি তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬টি বিমানবন্দরে ভেজাল জ্বালানির প্রমাণ মিলেছে। এ ধরনের জ্বালানি ব্যবহার করায় যে কোনো সময় উড়োজাহাজে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা আছে। জেট ফুয়েলে ভেজাল থাকায় সম্প্রতি বিমানের বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর উড়োজাহাজের (বিজি ০৪৯) একটি ইঞ্জিন পুড়ে

নাকাশিপাড়া জুড়ে ভেজাল মশলার ডেরা

হদিস পেয়ে হাতেনাতে ধরা গিয়েছে মাত্র দু’টি কারখানার মালিকদের। তবে নদিয়ার নাকাশিপাড়ায় ভেজাল মশলা তৈরির আরও গোটা দশেক কারখানা আছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জেনেছেন রাজ্য পুলিশের এনফোর্সমেন্ট শাখা (ইবি)-র গোয়েন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, ধনের সঙ্গে গন্ধক ও লাল মাটি এবং কালো জিরের সঙ্গে মোবিল দিয়ে রং করা মাটি ও শুকনো পিচের গুঁড়ো মিশিয়ে ভেজাল মশলার কারবার নদিয়ার ওই তল্লাটে বছরের পর বছর ধরে চলছে। স্থানীয় পরিভাষায় এর নাম ‘গ্যাস চেম্বার’-এর ব্যবসা। যে-হেতু ‘এয়ারটাইট’ বা বদ্ধ ঘরে একটি যন্ত্রে বিষাক্ত উপকরণের সঙ্গে

ভেজাল বেকারি পণ্যে সয়লাব : স্বাস্থ্যঝুঁকিতে চট্টগ্রামবাসী bekari

চট্টগ্রাম, ২৫ নভেম্বর ২০১৬ (সিটিজি টাইমস)::  সকালে ঘুম থেকে উঠে পাউরুটি আর বন দিয়ে নাস্তা করছেন তো?। খিদে লাগলেই খাচ্ছেন নুডলস, বিস্কিট, কেক, চনাচুরসহ বেকারির তৈরী সব খাবার। কিন্তু এসব খাবার কি দিয়ে এবং কিভাবে তৈরী হচ্ছে সেটা কি জানেন। একটু খোঁজ নিন না। বাঁচতে হলে জানতেই হবে আপনি কি খাচ্ছেন। আর জানলে এসব খাবার খাওয়া তো দূরের কথা; বিগত জীবনে যা খেয়েছেন তা বমি করে দিতেও ইচ্ছে করবে। এসব খাবার তৈরী মোটেই যে স্বাস্থ্যদায়ক নয়, সেটা বুঝে নিন ভেজাল

ভেজাল নির্মূলে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হবে

মায়ের গর্ভে যখন একটি শিশুর জন্মের প্রক্রিয়া শুরু হয়, সেসময় থেকে পরবর্তীকালে বেড়ে ওঠা এবং মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের জন্য খাবার প্রয়োজন। খাদ্য গ্রহণ না করলে মানুষ বাঁচতে পারবে না। কিন্তু বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় সব খাদ্যদ্রব্যেই মেশানো হচ্ছে ভেজাল। একারণে কোন খাবারই এখন আর নিরাপদ নয়। ফলমূলে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর কার্বাইডসহ নানা বিষাক্ত কেমিক্যাল, মাছে ও দুধে ফরমালিন, চানাচুর-জিলাপিতে মবিল, সবজিতে কীটনাশক, বিস্কুট-আইসক্রিম-জুস-সেমাই-আচার-নুডলস্ এবং মিষ্টিতে টেক্সটাইল ও লেদার রং, পানিতে ক্যাডমিয়াম, লেড, ইকোলাই, লবণে সাদা বালু, চায়ে করাতকলের গুঁড়ো, গুঁড়ো মসলায়

কোথায় নেই ভেজাল

খাদ্যে ভেজাল নতুন কিছু নয়। প্রায়ই এ নিয়ে চলছে অভিযান। জেল, জরিমানাও করা হচ্ছে। তারপরও বন্ধ হচ্ছে না ভেজাল। জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরও বিষয়টি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে ভেজালের ভয়াবহ চিত্র। চকলেট থেকে প্রপার্টি প্রায় সবক্ষেত্রেই ভেজালের প্রমাণ তাদের হাতে। এতে দেখা যায়, দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে ভেজালের গণ্ডি। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যক্রম ও গবেষণা বিভাগের পরিচালক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন মানবজমিনকে বলেন, নানা বিষাক্ত ও দূষিত ক্ষতিকর উপাদান অভিনব কায়দায় খাদ্য ও ব্যবহার্য পণ্যে মিশিয়ে