জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন

নারায়নগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতির সাথে জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন নারায়নগঞ্জ জেলা কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ

অদ্য রোজ সোমবার ১৪.০৮.১৭ ইংবিকাল ৪টায় নারায়নগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহাবুবুর রহমান মাসুমের কার্যালয়ে জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন নারায়নগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ কালে ভেজাল প্রতিরোধ কমিটির কার্যাক্রম সম্পর্কে তাকে অভিহিত করেন এবং ভেজাল প্রতিরোধে তার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। নারায়নগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ভেজাল প্রতিরোধ কমিটির প্রতিনিধি দলের কথা বার্তা মনোযোগ সহকারে শুনেন এবং ভেজাল প্রতিরোধে করনীয় সম্পর্কে প্রতিনিধি দলকে গঠনমুলক উপদেশ, পরামর্শ ও দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ

ভেজাল প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে

জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন নারায়নগঞ্জ জেলা কমিটির উদ্দ্যেগে লিফলেট বিতরন গতকাল রোববার ১৩.০৮.১৭ ইং দুপুর ১২টায় নারায়নগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ভেজাল প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন নারায়নগঞ্জ জেলা কমিটির উদ্দ্যেগে লিফলেট বিতরন করেন সংগঠনের সভাপতি সুলতান মাহমুদ,সাধারন সম্পাদক আক্তার হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন ইসলাম, সদস্য অমুল্য কুমারসাহা, আসাদুল ইসলাম সানি, জোনায়েদ আহাম্মদ অপুর্ব সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক শহীদ মিনারে উপস্থিত বিভিন্ন পেশার কর্মজীবি মানুষ ও ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে লিফলেট বিতরন করেন। লিফলেট বিতরন শেষে শহীদ

ভেজাল পণ্যে সয়লাব কসবা সীমান্ত হাট!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্ত হাটে ভারতীয় ক্রেতা কম আসায় লোকসান গুণতে হচ্ছে দেশীয় ব্যবসায়ীদের। এতে সীমান্ত হাটে বাণিজ্য ঘাটতির পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। বাজার তদারকির পাশাপাশি দু’দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। দুর্গম এলাকায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করার মাধ্যমে উভয় দেশ উপকৃত হবে এমন চিন্তা থেকেই ২০১৫ সালের ১১ই জুন থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার তারাপুর সীমান্তের শূন্য রেখায় চালু হয় সীমান্ত হাট। সেই থেকে প্রতি রোববার বসে এ সীমান্তের হাট। শুরুতে হাটে উভয় দেশের

কীভাবে বুঝবেন আসল নাকি ভেজাল খাচ্ছেন?

প্রতিদিন পুষ্টিকর খাবার ডিম, দুধ, মাখন সবই খাচ্ছেন। মাঝেমধ্যেই ফুড পয়জনিংয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেক সময় এসব খাবার ভেজাল হওয়ার কারণে এমনটা হয়ে থাকে। তাহলে ভাবছেন যা খাচ্ছি তা ভেজাল কিনা বুঝবেন কী করে। . ঘরোয়া পদ্ধতিতে নিমেষেই আপনি পরীক্ষা করে নিতে পারেন খাবারটি ভেজাল কী না। চলুন জানা যাক যেভাবে বুঝবেন খাঁটি আর ভেজাল খাবার কোনটি। মাখন: এক টুকরো মাখন ফুটন্ত পানিতে রাখুন। যদি মাখন গলে যায় উপরি ভাগে স্তর তৈরি হয় তাহলে মাখন আসল। যদি টুকরো টুকরো হয়ে যায়

ত্রিপুরায় ভেজাল মদ তৈরির কারখানায় পুলিশি হানা

ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম  ত্রিপুরার পশ্চিম জেলার অন্তর্গত মোহনপুর মহকুমার তুলাবাগান এলাকায় ভেজাল মদ তৈরির কারখানার অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। বুধবার (৫ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই কারখানায় অভিযান চালানো হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওই এলাকার তুলাবাগানের ভবতোষ পালের বাড়িতে বিভিন্ন ব্রান্ডের ভেজাল মদ তৈরির কারখানার খবরে সেখোনে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানের নেতৃত্ব দেন মোহনপুর মহকুমার মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এস ডি পি ও)। এ সময় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচুর পরিমাণ ভেজাল মদ, মদ তৈরির উপাদান, মদের খালি বোতল, বোতলের ছিপি, মদের বোতলের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের

নাকাশিপাড়া জুড়ে ভেজাল মশলার ডেরা

হদিস পেয়ে হাতেনাতে ধরা গিয়েছে মাত্র দু’টি কারখানার মালিকদের। তবে নদিয়ার নাকাশিপাড়ায় ভেজাল মশলা তৈরির আরও গোটা দশেক কারখানা আছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জেনেছেন রাজ্য পুলিশের এনফোর্সমেন্ট শাখা (ইবি)-র গোয়েন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, ধনের সঙ্গে গন্ধক ও লাল মাটি এবং কালো জিরের সঙ্গে মোবিল দিয়ে রং করা মাটি ও শুকনো পিচের গুঁড়ো মিশিয়ে ভেজাল মশলার কারবার নদিয়ার ওই তল্লাটে বছরের পর বছর ধরে চলছে। স্থানীয় পরিভাষায় এর নাম ‘গ্যাস চেম্বার’-এর ব্যবসা। যে-হেতু ‘এয়ারটাইট’ বা বদ্ধ ঘরে একটি যন্ত্রে বিষাক্ত উপকরণের সঙ্গে

ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ

রোগ নিরাময় ও প্রতিরোধে ওষুধের বিকল্প নেই। একই রোগের ওষুধ আবিষ্কারের পর তা গবেষণার মাধ্যমে আরও উন্নত এবং কার্যকর করার প্রক্রিয়া একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। একই গ্রæপের এই ওষুধ প্রায় প্রত্যেকটি কোম্পানিই উৎপাদন করে। দেখা যাচ্ছে, একেক কোম্পানির উৎপাদিত একই ওষুধের মানে যথেষ্ট হেরফের হয়। এর উপর রয়েছে নকলের প্রবণতা। বিস্ময়ের ব্যাপার হচ্ছে, দেশে এখন রোগ নিরাময়ের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ওষুধ ভেজালে আক্রান্ত। নকল ও মানহীন ওষুধে বাজার সয়লাব হয়ে গেছে। কোনো ধরনের গুণগতমান পরীক্ষা ছাড়াই ১৪ হাজার ব্র্যান্ডের ওষুধ বাজারে রয়েছে।

নিরাপদ খাদ্যের আইন আছে বাস্তবায়ন নেই ভেজালবিরোধী অভিযান হলেও ভেজালের উৎস আজও চিহ্নিত হয়নি থাইল্যান্ডের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশীদের বেশিরভাগ খাদ্যের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত

এক সময় দুধে পানি মিশিয়ে বিক্রি করাই ছিল চরম অপরাধ। পানি মেশানো দুধকেই ভেজাল হিসেবেও গণ্য করা হতো। এখন দুধে জীবনঘাতী উপাদানও মেলে। শুধু দুধ নয় দেশে সামগ্রিক নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তাই আজ হুমকির মুখে। ভেজাল ও বিষযুক্ত খাবার খেয়ে মানুষ ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেও এ বিষয়ে সরকারের কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেই। বিচারপতি খায়রুল হকের মতে, এটাও একটি হত্যাকাণ্ড। বিশেষজ্ঞদের মতে, সবার আগে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে না পারলে পদ্মা সেতু বা মেট্রোরেলের মতো বড় বড় প্রকল্প নিয়েও কোন

চট্টগ্রামের রহমানিয়া বেকারিকে জরিমানা নষ্ট শিরা, পোড়া তেলে জিলাপি, নিমকি

বিশাল কড়াইয়ে পোড়া কালচে তেল। দেখে বোঝার উপায় নেই যে এটি তেল না মবিল। নিচে জমেছে গাদ। রোজ এমন তেলেই ভাজা হচ্ছিল জিলাপি, নিমকি। খাবারে মেশানো হতো মেয়াদোত্তীর্ণ রং। কারখানার পরিবেশও অপরিচ্ছন্ন। এই চিত্র চট্টগ্রামের গোসাইলডাঙ্গার কে বি দোভাষ লেন এলাকার রহমানিয়া বেকারির কারখানার। গত কারখানায় অভিযান চালিয়ে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মাদ রুহুল আমীন। তিনি বলেন, বেকারিটিতে ব্যবহৃত সব পণ্যই নিম্নমানের। খাবারে যে রং ব্যবহার করা

ডিজিল্যাব ও আল হেলালকে জরিমানা

অনুমোদন ছাড়া ব্লাডব্যাংক চালানোসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে রাজধানীর মিরপুরে দুটি বেসরকারি হাসপাতালকে ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল সোমবার পৃথক অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা করা হয়। র্যাব সূত্র জানায়, গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত কাফরুল থানার সেনপাড়া পর্বতায় আল হেলাল স্পেশালাইজড হাসপাতালে অভিযান চালান। এতে র্যাব-২-এর একটি দল অংশ নেয়। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত হাসপাতালটিতে অনুমোদনহীন ব্লাডব্যাংক পরিচালনা, প্লাজমা সংরক্ষণ ফ্রিজ না থাকা, মেয়াদ উত্তীর্ণ রি-এজেন্ট রাখা,