জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন

অসাম সংবাদ,প্রতিবেদন কি খাচ্ছি আমরা? শতভাগ ভেজাল যুক্ত খাবারের তালিকা দেখে নিন এখনি …

খাবারের তালিকাভুক্ত ৪৩ ধরনের পণ্যে ভেজাল পাওয়া গেছে। এসব পণ্যে শতকরা ৪০ ভাগ ভেজালের সন্ধান পেয়েছে জনস্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট (আইপিএইচ)। এর মধ্যে ১৩টি পণ্যে ভেজালের হার প্রায় শতভাগ। ভেজাল বা নিুমানের খাদ্য শনাক্ত হলেও এগুলো বিক্রি বন্ধে সরকারের কোনো উদ্যোগ নেই। ফলে প্রতিদিন ভেজাল খাবারের প্রভাবে দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্তের আশংকা বাড়ছে। ভোক্তাদের অভিযোগ- ভেজাল মেশানোয় পণ্যের মান কমছে। ছোট হচ্ছে আকার। দামও দিতে হচ্ছে বেশি। এভাবে প্রতিনিয়ত ঠকছেন ক্রেতা ও ভোক্তা। মুনাফা লুটছে অসাধু ব্যবসায়ী, উৎপাদক ও মধ্যস্বত্বভোগীরা। আইপিএইচ পরীক্ষা করেছে

ভেজাল খাবারের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে

ভেজালমুক্ত খাবার নিশ্চিত করতে খুব শিগগিরই উৎপাদন পর্যায়ের কারখানাগুলোতে ভেজালবিরোধী অভিযান চালানো হবে বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম। রোববার মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনে ‘পবিত্র রমজান মাসে ভেজালমুক্ত পথ খাবার’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকের আয়োজন করে দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। ভেজাল খাবারের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর থেকে কঠোরতর ব্যবস্থা নেবে জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী দুই-এক বছরের মধ্যেই বাজারে কোনো ভেজালযুক্ত খাবার থাকবে না। খাদ্যে ভেজাল নিয়ন্ত্রণে সবাইকে

ভেজাল খাবার প্রস্তুতকারীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে: খোকন

 ভেজাল খাবার প্রস্তুতকারীরা যতই ক্ষমতাশালী হোক, তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে শিশুদের কিডনী রোগ প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক এক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। খোকন বলেন, ঢাকাকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করতে আগামী দুই মাসের মধ্যে পাঁচ হাজার ডাস্টবিন দেয়া হবে। খেলার মাঠগুলোকে অবৈধ দখলের হাত থেকে উদ্ধারে কাজ করা হচ্ছে—উল্লেখ করে দক্ষিণের মেয়র আরো বলেন, সেইসঙ্গে ওসমানী পার্ক ও পান্থকুঞ্জু পার্ককে আধুনিক পার্কে

প্রসঙ্গ : ভেজাল খাবার

এই মুহূর্তে খাদ্যে ভেজাল আমাদের দেশের এক বিরাট জাতীয় সমস্যা। ঋতুবৈচিত্র্যের বাংলাদেশে এই সময়টাকে মধুমাস বলা হয়। কারণ এ সময় আম-কাঁঠাল-লিচু-জাম-তালের শাঁস ইত্যাদি রসাল ফলে বাজার ভরে ওঠে। অথচ সেই মধুর স্বাদ আমরা দিন দিন হারিয়ে ফেলছি। সবচেয়ে বিপদে আছি আমরা, যারা সরাসরি জনগণের সঙ্গে খাদ্য পরামর্শক হিসেবে কাজ করছি। যখনই কোনো রোগীকে খাদ্যব্যবস্থাপনা দিচ্ছি, তখনই অপর দিক থেকে প্রশ্ন আসছে- ম্যাডাম, কী খাব, কোনটা খাব? সত্যিই তো? ভাত-রুটি-মুড়ি, মাছ-মাংস-দুধ-ফল-শাকসবজি- কী খাবেন তাঁরা? অভিযোগ পাওয়া যায়, মিডিয়ার কল্যাণে প্রায় সব

হাতের মুঠোয় ভেজাল খাবার

হাতের মুঠোয় ভেজাল খাবার ১। ছোট্ট একটা খবর শেয়ার করি। গতবছর দৈনিক ইত্তেফাকে একটা খবর আসে যে, দিনাজপুরে গাছের নীচে থেকে কুড়ানো লিচু খেয়ে ১১ জন শিশু মারা গিয়েছিল। লিচু গাছে থাকা অবস্থায় কীটনাশক বিষ দেয়া হয়েছিল বলেই এই ঘটনাটি ঘটেছিল বলেছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, রীতিমত গবেষণা চালিয়ে নিশ্চিত করেছিল তারা। আপনি হয়তো খবরটি শোনেনই নাই। তাহলে আরও একটু যোগ করি। ঠিক একই কারণে দিনাজপুরেই ২০১৩ সালে মারা যায় ১৩ জন শিশু, আর ২০১২ সালে মারা যায়

৫৪ শতাংশ খাদ্যে ভেজাল

 আমরা প্রতিদিন যেসব খাবার গ্রহণ করি তার অর্ধেকেরও বেশি খাবারে মেশানো আছে ভেজাল। সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট দেড় যুগের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে বলেছে, ভেজাল ব্যবহার অব্যাহতভাবেই চলছে। এর মধ্যে ২০১১ সালেও ৫৪ শতাংশ খাবারে পাওয়া যায় ক্ষতিকর বিভিন্ন উপাদান। এসব খাবার খেয়ে মানুষের জীবন বিপন্ন হচ্ছে। আগামী প্রজন্মকেও বুদ্ধিহীন, পঙ্গু ও বিকলাঙ্গ হওয়ার ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে। জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খাদ্য ভেজাল করতে বিভিন্ন রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে। এসবের মধ্যে রয়েছে মনোসোডিয়াম, ইথোফেন, ক্যালসিয়াম, কার্বাইড, ফরমালিন, চক পাউডার, ইউরিয়া,

খাদ্যে ভেজাল – একটি সামাজিক ব্যাধি ও বহুবিধ স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ

খাদ্যে ভেজাল – একটি সামাজিক ব্যাধি ও বহুবিধ স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ মানুষের জীবনধারনের জন্য খাবার একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। মায়ের গর্ভে যখন একটি শিশুর জন্মের প্রক্রিয়া শুরু হয় তখন থেকে পরবর্তীতে বেড়ে উঠা এবং মৃত্যুর আগে পর্যন্ত মানুষের জন্য খাবারপ্রয়োজন। সৃষ্টির আদিকাল থেকে চলছে মানুষের খাবারের যোগানোর পিছনে অবিরাম ছুটে চলা। যখন আগুন আবিষ্কার হয়নি তখন মানুষ ফলমূল ও কাঁচা খাবার খেয়ে জীবনধারণ করতো। সভ্যতা বিকাশের সাথেসাথে মানুষের খাবারেও পরিবর্তন আসতে থাকে। আগুন আবিষ্কারের পরে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আাসে মানুষের খাওয়ার সংস্কৃতিতে ।ফলমূলের

অ্যামোনিয়া ব্যবহার করায় চট্টগ্রামে বনফুলকে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা

 মানবদেহের জন্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক অ্যামোনিয়া নাইট্রেট ব্যবহার করায় চট্টগ্রামে বেকারি জাতীয় খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বনফুলকে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম। শুক্রবার অভিযানকালে বনফুলের পটিয়াস্থ কারখানা থেকে ৮৩ বস্তা অ্যামোনিয়া জব্দ করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম সাংবাদিকদের জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে গিয়ে বনফুলের কারখানায় বিস্কুট ও বেকারি পণ্যে ক্ষতিকর অ্যামোনিয়া ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অত্যন্ত নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত পরিবেশে বনফুলের কারখানায় নিম্ন

রাজধানীর হোটেলগুলোয় ভেজাল ও পচা-বাসি খাবার বিক্রি

নিজস্ব প্রতিবেদক রাজধানীর বিভিন্নস্থানে বেশিরভাগ হোটেলে ভেজাল ও পচা-বাসি খাবার বিক্রি হচ্ছে হরহামেশাই। এসব খাবার খেয়ে অনেকে পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার পরিবেশনের কারণে হুমকির মুখে দাঁড়িয়েছে জনস্বাস্থ্য। হোটেলের পরিবেশ নোংরা ও অস্বাস্থ্য হওয়ার কারণে মানুষরা পড়ছে বেকায়দায়। মাঝে মধ্যে খাবারের মান ভাল থাকলেও বছরের বাকি সময়টুকু পচা-বাসি পণ্য দিয়ে  তৈরি করা হচ্ছে খাবার। পুরান ঢাকার বংশালে মো. ইছাক একজন হোটেল ব্যবসায়ী। ইছাকের এই হোটেলে পচা-বাসি ও নিম্নমানের ভেজাল খাবার বিক্রি করা হচ্ছে। আর ক্রেতাদের ঠকিয়ে তিনি

ভেজালে সয়লাব রাজধানীর ইফতার বাজার!

            এমনিতেই দেশে ভেজাল খাবারের ছড়াছড়ি। তার উপর আবার রমজান মাসে ভেজাল খাবারের দৌরাত্ম্য আরো বেড়ে গেছে। ভেজালের পাশাপাশি রয়েছে পুরনো খাবার বিক্রির প্রতিযোগিতা। এ দুয়ের কবলে পড়ে ভোক্তারা একেবারেই হাঁপিয়ে উঠেছেন। অর্থাৎ বলা যেতে পারে, নির্ভেজাল ইফতারি খাবার প্রায় কিনতেই পাওয়া যায় না। ইফতারির প্রধান উপকরণ হচ্ছে মুড়ি। আর এই মুড়িকে ধবধবে সাদা করতে ব্যবহার করা হচ্ছে রাসায়নিক সোডিয়াম হাইড্রো সালফাইড। আর মুড়ির দানাগুলো বড় করতে ব্যবহার করা হচ্ছে ইউরিয়া সার। এছাড়া, জিলাপিকে উজ্জল