জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন

খাদ্যে ভেজাল – একটি সামাজিক ব্যাধি ও বহুবিধ স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ

খাদ্যে ভেজাল – একটি সামাজিক ব্যাধি ও বহুবিধ স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ মানুষের জীবনধারনের জন্য খাবার একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। মায়ের গর্ভে যখন একটি শিশুর জন্মের প্রক্রিয়া শুরু হয় তখন থেকে পরবর্তীতে বেড়ে উঠা এবং মৃত্যুর আগে পর্যন্ত মানুষের জন্য খাবারপ্রয়োজন। সৃষ্টির আদিকাল থেকে চলছে মানুষের খাবারের যোগানোর পিছনে অবিরাম ছুটে চলা। যখন আগুন আবিষ্কার হয়নি তখন মানুষ ফলমূল ও কাঁচা খাবার খেয়ে জীবনধারণ করতো। সভ্যতা বিকাশের সাথেসাথে মানুষের খাবারেও পরিবর্তন আসতে থাকে। আগুন আবিষ্কারের পরে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আাসে মানুষের খাওয়ার সংস্কৃতিতে ।ফলমূলের

অ্যামোনিয়া ব্যবহার করায় চট্টগ্রামে বনফুলকে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা

 মানবদেহের জন্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক অ্যামোনিয়া নাইট্রেট ব্যবহার করায় চট্টগ্রামে বেকারি জাতীয় খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বনফুলকে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম। শুক্রবার অভিযানকালে বনফুলের পটিয়াস্থ কারখানা থেকে ৮৩ বস্তা অ্যামোনিয়া জব্দ করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম সাংবাদিকদের জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে গিয়ে বনফুলের কারখানায় বিস্কুট ও বেকারি পণ্যে ক্ষতিকর অ্যামোনিয়া ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অত্যন্ত নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত পরিবেশে বনফুলের কারখানায় নিম্ন

রাজধানীর হোটেলগুলোয় ভেজাল ও পচা-বাসি খাবার বিক্রি

নিজস্ব প্রতিবেদক রাজধানীর বিভিন্নস্থানে বেশিরভাগ হোটেলে ভেজাল ও পচা-বাসি খাবার বিক্রি হচ্ছে হরহামেশাই। এসব খাবার খেয়ে অনেকে পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার পরিবেশনের কারণে হুমকির মুখে দাঁড়িয়েছে জনস্বাস্থ্য। হোটেলের পরিবেশ নোংরা ও অস্বাস্থ্য হওয়ার কারণে মানুষরা পড়ছে বেকায়দায়। মাঝে মধ্যে খাবারের মান ভাল থাকলেও বছরের বাকি সময়টুকু পচা-বাসি পণ্য দিয়ে  তৈরি করা হচ্ছে খাবার। পুরান ঢাকার বংশালে মো. ইছাক একজন হোটেল ব্যবসায়ী। ইছাকের এই হোটেলে পচা-বাসি ও নিম্নমানের ভেজাল খাবার বিক্রি করা হচ্ছে। আর ক্রেতাদের ঠকিয়ে তিনি

ভেজালে সয়লাব রাজধানীর ইফতার বাজার!

            এমনিতেই দেশে ভেজাল খাবারের ছড়াছড়ি। তার উপর আবার রমজান মাসে ভেজাল খাবারের দৌরাত্ম্য আরো বেড়ে গেছে। ভেজালের পাশাপাশি রয়েছে পুরনো খাবার বিক্রির প্রতিযোগিতা। এ দুয়ের কবলে পড়ে ভোক্তারা একেবারেই হাঁপিয়ে উঠেছেন। অর্থাৎ বলা যেতে পারে, নির্ভেজাল ইফতারি খাবার প্রায় কিনতেই পাওয়া যায় না। ইফতারির প্রধান উপকরণ হচ্ছে মুড়ি। আর এই মুড়িকে ধবধবে সাদা করতে ব্যবহার করা হচ্ছে রাসায়নিক সোডিয়াম হাইড্রো সালফাইড। আর মুড়ির দানাগুলো বড় করতে ব্যবহার করা হচ্ছে ইউরিয়া সার। এছাড়া, জিলাপিকে উজ্জল

স্ট্রিট ফুড ব্যবসা, ভেজাল ও করণীয়

একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে ইফতারিতে ভেজাল নিয়ে এক বিশেষজ্ঞের ভাষ্য শুনছিলাম সম্প্রতি। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি রাস্তার ইফতারির বদলে সবাইকে বাসায় ইফতারি বানাতে পরামর্শ দিচ্ছিলেন। কিন্তু বাজার অর্থনীতির যুগে ইফতারি ব্যবসা শুধু যে হাজারো মানুষের জীবিকার নিশ্চয়তা দিচ্ছে তা নয়, এই সহজলভ্য ইফতারি বাঁচিয়ে দিচ্ছে লাখো মানুষের সময় ও কষ্ট। তাই শুধু ইফতারি বানানোর জন্য কর্মজীবী মানুষদের অফিস বা ব্যবসা ফেলে তাড়াতাড়ি বাসায় ফেরার আইডিয়া উৎসাহিত করা যায় না। বরং আইনের যথাযথ কার্যকরীকরণ ও কিছু সংযোজন বা সংশোধন করে যদি ইফতারি

ভেজাল খাবার উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান শিগগিরই

স্টাফ রিপোর্টার : ভেজালমুক্ত খাবার নিশ্চিত করতে খুব শিগগিরই উৎপাদন পর্যায়ের কারখানাগুলোতে ভেজালবিরোধী অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ভেজাল খাবারের উপাদানকারীদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর থেকে কঠোরতর ব্যবস্থা নেবে। আগামী দুই-এক বছরের মধ্যেই বাজারে কোনো ভেজালযুক্ত খাবার থাকবে না। এজন্য  নিরাপদ খাদ্য আইনের প্রয়োগ দ্রুতই কার্যকর করা হবে। গতকাল রোববার রাজধানীর মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনে আয়োজিত পবিত্র রমজান মাসে ভেজালমুক্ত পথ খাবার শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খাদ্যমন্ত্রী বলেন,

ভেজাল নির্মূলে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হবে

মায়ের গর্ভে যখন একটি শিশুর জন্মের প্রক্রিয়া শুরু হয়, সেসময় থেকে পরবর্তীকালে বেড়ে ওঠা এবং মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের জন্য খাবার প্রয়োজন। খাদ্য গ্রহণ না করলে মানুষ বাঁচতে পারবে না। কিন্তু বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় সব খাদ্যদ্রব্যেই মেশানো হচ্ছে ভেজাল। একারণে কোন খাবারই এখন আর নিরাপদ নয়। ফলমূলে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর কার্বাইডসহ নানা বিষাক্ত কেমিক্যাল, মাছে ও দুধে ফরমালিন, চানাচুর-জিলাপিতে মবিল, সবজিতে কীটনাশক, বিস্কুট-আইসক্রিম-জুস-সেমাই-আচার-নুডলস্ এবং মিষ্টিতে টেক্সটাইল ও লেদার রং, পানিতে ক্যাডমিয়াম, লেড, ইকোলাই, লবণে সাদা বালু, চায়ে করাতকলের গুঁড়ো, গুঁড়ো মসলায়

খাদ্যমন্ত্রীর আশ্বাস ‘দু-এক বছরের মধ্যে ভেজাল খাবার থাকবে না’

খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম আশা প্রকাশ করেছেন , আগামী দুই-এক বছরের মধ্যে বাজারে কোনো ভেজালযুক্ত খাবার থাকবে না। বিষয়টি প্রতিরোধ করতে সরকার কঠোর থেকে কঠোরতর ব্যবস্থা নিবে বলেও জানান তিনি। গতকাল রোববার মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনে ‘পবিত্র রমজান মাসে ভেজালমুক্ত পথ খাবার’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। বৈঠকের আয়োজন করে দ্যা ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রি (এফবিসিসিআই)। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা খুব শীঘ্রই উৎপাদন পর্যায়ের কারখানাগুলোতে অভিযান চালাবো। কেননা, মূল জায়গা ঠিক করা গেলে

খাদ্যে ভেজাল ও এর ক্ষতিকারক প্রভাব

মানুষের ৫ টি মোলিক চাহিদা (খাদ্য, ব¯্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য) এর মধ্যে খাদ্য একটি প্রধান ও অন্যতম মৌলিক চাহিদা। জীবন ধারনের জন্য খাদ্যের কোন বিকল্প নেই। সুস্বাস্থ্যের  জন্য প্রতিটি মানুষের  প্রয়োজন  বিশুদ্ধ ও পুষ্টিকর খাদ্য। আর এই বিশুদ্ধ খাদ্য সুস্থ ও সমৃদ্বশালী জাতি গঠনে একান্ত অপরিহার্য। কিন্তু বাংলাদেশে বিশুদ্ধ খাবার প্রাপ্তি কঠিন করে ফেলছে কিছু বিবেকহীন ব্যবসায়ী ও আড়তদার। আইনশৃংখলা বাহিনী ও এদের নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশীম খাচেছ। বিশুদ্ধ খাবারকে তারা কিভাবে বিষে পরিণত করছে তারেই কিছু প্রতিবেদন এখানে প্রকাশ

খাবারের ভেজাল পরীক্ষার সহজ উপায়

খেতে আমরা কে না ভালোবাসি। খাবার দেখলেই আমাদের ক্ষুধা পেয়ে যায়। কিন্তু আমরা এখন কতটা স্বাস্থ্যকর খাবার খাই? এখন প্রায় সব খাবারেই মেশানো হয় ভেজাল উপাদান। যা খেয়ে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই দেখে নিন খুব সহজে পরিচিত কিছু খাবারের ভেজাল পরীক্ষা করার উপায়। ১. ফ্রোজেন মটোর: আজকাল কাজ কমাতে অনেকে ফ্রোজেন মটরের প্যাকেট কিনেন। কিন্তু এটা কতটুকু স্বাস্থ্যকর? কেননা অনেক ফ্রোজেন মটরের সবুজ ম্যালাকাইট নামের এক ধরনের উপাদান মিশানো থাকে। যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই