জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন
জাতীয় ভেজাল পতিরোধ ফাউন্ডেশন

বাকলিয়ায় ১০ ফার্মেসি থেকে সরকারি ওষুধ জব্দ

সরকারি ওষুধ বিক্রিয় দায়ে নগরীর চাক্তাই ও তুলাতলী এলাকায় ১০টি ফার্মেসিকে ৮২ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া ভারতীয় বিক্রয় নিষিদ্ধ ওষুধ, ফুড সাপ্লিমেন্ট ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল পাওয়া গেছে এসব ফার্মেসিতে।আজ শনিবার নগরীর বাকলিয়া থানার নতুন চাক্তাই এবং হাজেফ নগর তুলাতলী এলাকায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার রুহুল আমীন এ অভিযান পরিচালনা করেন।তিনি বলেন, ১০টি ফার্মেসিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান সরকারি ওষুধ জব্দ করা হয়েছে। এরমধ্যে পাঁচটি ফার্মেসির মালিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে দোকানে তালা দিয়ে পালিয়ে যান।সরকারি

খাদ্যে ভেজাল: আমরা কি বাঁচব না?

 ভেজালে ছেয়ে গেছে দেশ। বোধ করি খাদ্যে এমন ভেজাল আর কোনো দেশেই নেই। ছোট বেলায় আমার চাচা বলতেন, ‘বাবারে! কম খাবি তো বেঁচে যাবি।’ তার কথা কম খাবারে কম ভেজাল; আর তাতেই তার দৃষ্টিতে বেঁচে যাওয়া। তিনি বেঁচে নেই, অর্ধজীবন পার না করতেই ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তার কথার মমার্থ এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। ২২ অক্টোবরের খবরটা ছিল খুবই বেদনাদায়ক। যখন কলেজে পড়ি তখন এক বন্ধুর সঙ্গে খুব ভাব হয়েছে আমার। সে ছিল আমার জানের দোস্ত। ফুসফুসে ক্যানসারে

বিসিক শিল্প নগরীতে সন্ধান মিলল দুই ভেজাল সার কারখানার

 নীলফামারীর সৈয়দপুরে দুইটি ভেজাল জৈব সার কারখানার সন্ধান মিলেছে। আজ (সোমবার) বিকেলে বিসিক শিল্প নগরীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ওই ভেজাল কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। জানা গেছে, সৈয়দপুর বিসিক শিল্পনগরীতে গ্রীণ জৈব সার ও অপূর্ব জৈব সার নামের দুইটি সার কারখানা দীর্ঘদিন যাবৎ ভেজাল জৈব সার উত্পাদন করে বাজারজাত করে আসছিল। গ্রীণ জৈব সার ও অপূর্ব জৈব কারখানা দুইটির মালিক হচ্ছেন যথাক্রমে মো. হামিদুল ইসলাম ও মো. আনিছুল ইসলাম চৌধুরী। আর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো.

মধ্যমগ্রামে ভেজাল সিমেন্টসহ গ্রেপ্তার ৩, নামী কোম্পানির বস্তায় ভরা হত গঙ্গা মাটি

নামী কোম্পানির সিমেন্ট ভরতি বস্তা থেকে অর্ধেক মাল বার করে মেশানো হচ্ছে গঙ্গামাটি ও কারখানার ছাই। তারপর ফের কোনও নামী কোম্পানির ছাপ মারা বস্তায় ভরে সেই ভেজাল সিমেন্ট চলে যাচ্ছে খোলা বাজারে। বাইরে থেকে দেখে বিন্দুমাত্র বোঝার উপায় নেই—আসল না নকল। ভেজাল সিমেন্ট তৈরির কারবারে যুক্ত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে এই জালচক্রের সন্ধান পেয়েছে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ। সেই সঙ্গে এক ম্যাটাডোর ভরতি প্রায় ১০০ বস্তা ভেজাল সিমেন্টও রাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওইগুলি বাইরে বিক্রির নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পুলিশ সূত্রে জানা

মানহীন তেলে বাজার সয়লাব

প্যাকেট ও খোলা বিভিন্ন রকমের মানহীন তেলে বাংলাদেশের বাজার সয়লাব হয়ে গেছে। সব ব্র্যান্ডের বোতলের গায়েই লাগানো রয়েছে চমকপ্রদ নানা বিজ্ঞাপন। তাতে লেখা এই ভিটামিন, সেই ভিটামিন ইত্যাদি ইত্যাদি। কোনো কোনো ব্র্যান্ড আবার দাবি করে যে, তাদের তেল শিশুর মানসিক বিকাশের পাশাপাশি হাড়কে করে আরও শক্তিশালী। অথচ ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির (এনএফএসএল) পরীক্ষায় এমন তথ্য উঠে এসেছে, যা শুনে আঁতকে উঠবেন রীতিমতো। পরীক্ষাগারটির দাবি, বাজারে থাকা সয়াবিন তেলের মধ্যে ব্র্যান্ডের একটি এবং খোলা দুটি ছাড়া বাকি সবই মানহীন। গতকাল দুপুরে

‘অ্যান্টিবায়োটিক\’ তৈরি হচ্ছে আটা ও লবণ দিয়ে! মিটফোর্ড ও কেরানীগঞ্জে নকল ওষুধের কারখানা

গতকাল মিটফোর্ড এলাকায় র‌্যাবের নেতৃত্বে নকল ওষুধ তৈরির কারখানায় অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধ ও ওষুধ তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। রোগ থেকে জীবন বাঁচাতে যে ওষুধের প্রতি আস্থা রাখে মানুষ, সেই ওষুধের মধ্যেই ঢুকে যাচ্ছে ভেজাল। শুধু আটা ও লবণ দিয়ে ‘অ্যান্টিবায়োটিক’ ওষুধ তৈরি করছে একটি অসাধুচক্র, যেগুলো বাজারে ছাড়া হচ্ছে নামিদামি বিভিন্ন কম্পানির নামে। এ ধরনের একটি চক্রের সন্ধান পেয়েছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল বুধবার মিটফোর্ড ও কেরানীগঞ্জে ভেজাল ওষুধ তৈরির কারখানায় বিশেষ

আপনাকে আর ডাক্তারখানা যেতে হবে না। কোন রোগের জন্য কোন ওষুধ খাবেন সবই পাবেন এই অ্যাপ টির মধ্যে

আমরা প্রায় বাড়িতে দেখি যে কোন কিছু হলেই বুঝে হোক বা না বুঝে হোক ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই বিভিন্ন রকমের ঔষধ খাই যার পরিনাম অনেক সময় ভালো কিছু হয় না। এমন কি অনেক সময় না জেনে ভূল ঔষধ খাওয়ার কারনে মৃত্যু পর্যন্ত খটতে পারে। যে গুলো কিছু নির্দিষ্ট রোগ ব্যতিত গ্রহণ করলে হিতে বিপরীত হয় ।   আমাদের শরীরের কোন সমস্যা হলেই ঔষধ খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়, যা মোটেও ঠিক না। ঔষধ মানুষের রোগ নিরাময় করে, কিন্তু এমন কিছু ঔষধ আছে

কুমিল্লায় দিন দিন বাড়ছে ভুয়া ও হাতুড়ে চিকিৎসকের সংখ্যা

এসব চিকিৎসকের কোন ধরনের ডিগ্রি না থাকলেও নামের পাশে ডাক্তার বসিয়ে সেজেছেন অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার। রোগী দেখেই বলে দিতে পারেন রোগ সারাতে কত টাকা লাগবে। প্রতিদিন গ্রাম থেকে চিকিৎসা নিতে আসা অসংখ্য মানুষ প্রতারিত হচ্ছেন এসব ডাক্তারদের কাছে। নামধারী এসব চিকিৎসকরা চিকিৎসাপত্র ও প্যাডে ব্যবহার করছেন নামকরা রেজিষ্টার্ড চিকিৎসকের নাম। ভিজিটিং কার্ড ও প্যাডে নামের আগে এরা ডাক্তার শব্দটি বসিয়েছেন, আবার কেউবা সেজেছেন অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। সুসজ্জিত চেম্বার, আকর্ষণীয় নেইমপ্লেট ও সাইন বোর্ড বসিয়ে প্রতারণা করে মন জয়

বিক্রি হচ্ছে ভেজাল খাদ্য কঠোর নজরদারি ও শাস্তির বিকল্প নেই

 ভেজাল খাদ্য যেন এখন নাগরিক জীবনের অন্যতম অনুষঙ্গ। ভেজাল মেশানো হয়নি এমন খাদ্য খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর হয়ে পড়েছে। ব্যবসায়ীরাও যেন ভেজাল খাবার বাজারজাত করার ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি উৎসাহী। খাঁটি পণ্য বিক্রি হয় বলে মানুষ বিশ্বাস করে এমন দোকানও যখন ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের কাছে পণ্যের মান নিয়ে সন্তোষজনক জবাব দিতে পারে না, তখন ভোক্তাদের হতাশ না হয়ে উপায় কী! পবিত্র রমজান মাসে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযানে যে চিত্র উঠে এসেছে তা ভয়াবহ। রমজান মাসে সুস্বাদু ইফতারি তৈরির নামে রাস্তার পাশে, এমনকি